নিজস্ব প্রতিনিধি, আগরতলা, ২ মার্চ৷৷ মাছে ফরমালিন ব্যবহার যে তা মারাত্মক সেই কথা স্বীকার করলেও দপ্তরের সামনে যে তেমন কোন কিছু করার মতো পরিকাঠামো নেই সেটি প্রকাশ্যে আসল৷ স্বাস্থ্যমন্ত্রী বাদল চৌধুরী এদিন সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সাথে কথা বলতে গিয়ে জানান, পরিকাঠামোগত ত্রুটি রয়ে গিয়েছে৷ তা কাটিয়ে উঠা যাচ্ছে না৷ তাই এই ফরমালিন নিয়ে দপ্তর জনগণকেই সচেতন হতে পরামর্শ দিয়েছে৷ খুব শীঘ্রই দপ্তরের তরফ থেকে বাজারে বাজারে ব্যানার লাগানো হবে ফরমালিন সংক্রান্ত সতর্ক বার্তা দিয়ে৷ পাশাপাশি ক্রেতা সাধারণ ইচ্ছে করলে মাছে ফরমালিন রয়েছে কিনা তা জানতে কি কি করতে পারেন সেই বিষয়েও জ্ঞাতব্য তথ্য তুলে ধরা হবে প্রচারের আলোয়৷ স্বাস্থ্যমন্ত্রী বাদল চৌধুরী আরও জানিয়েছেন, বাংলাদেশ থেকে যেসব মাছ আখাউড়া চেক পোস্ট দিয়ে রাজ্যে আনা হচ্ছে সেখানের নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছিল৷ তাতে ফরমালিন যুক্ত মাছ সনাক্ত হয়েছে৷ তাছাড়াও রাজ্যের অন্যান্য স্থানে নমুনা সংগ্রহ করে পাওয়া গিয়েছে ফরমালিন যুক্ত মাছ৷ বিশেষ করে মহারাজগঞ্জ বাজারে৷ মন্ত্রী সাফ জানিয়েছেন যে ট্রাকে করে তিন চারদিন পর রাজ্যে এসে পৌঁছে বাইরের মাছ৷ তা কিভাবে সম্ভব হচ্ছে৷ এখন তো আর এয়ার কার্গো নেই৷ তাই স্বাভাবিক ভাবেই ট্রাকে আনা মাছে ফরমালিন থাকাটা সন্দেহের বাইরে নয়৷



















