আগরতলা, ৭ আগস্ট (হি.স.)৷৷ এফসিআই-এর মাধ্যমে ধান ক্রয় এ বছর পরিমাণে কমেছে৷ কারণ, কৃষকরা সরকারি ব্যবস্থাপনায় ধান বিক্রি করছেন না৷ তবে, কৃষকের আয় বেড়েছে, দাবি করেন ত্রিপুরার কৃষি ও কৃষক কল্যাণ মন্ত্রী প্রণজিৎ সিংহরায়৷ এ-বিষয়ে তাঁর যুক্তি, ফঁড়েদের দৌলতে কৃষকরা এখন ঘরে বসে ধান বিক্রি করছেন৷ দামও সঠিক পাচ্ছেন৷
শুক্রবার কৃষিমন্ত্রী বলেন, গত বছর ১৬ হাজার এমটি ধান এফসিআই-এর মাধ্যমে ক্রয় করা হয়েছিল৷ কিন্তু এ-বছর এখন পর্যন্ত ৮ হাজার এমটি ধান ক্রয় করা সম্ভব হয়েছে৷ কৃষিমন্ত্রীর দেওয়া এই তথ্যে স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ণ উঠেছে, ধান ক্রয়ের পরিমাণ কমল কীভাবে৷ এ-বিষয়ে কৃষিমন্ত্রী বলেন, অতীতে কৃষকদের কাছ থেকে ফঁড়েরা অতি স্বল্প মূল্যে ধান ক্রয় করে নিয়ে যেতেন৷ কিন্তু, এখন এফসিআইয়ের মাধ্যমে ধান ক্রয় শুরু হওয়ায় স্বল্প মূল্যে কৃষকদের কাছ থেকে পাওয়ার কোনও সুযোগ নেই৷
তাঁর বক্তব্য, এফসিআই-কে ধান বিক্রি করার জন্য প্রত্যেক কৃষকের ওই ধান সরকারি বিক্রয় কেন্দ্রে নিয়ে আসতে হয়৷ এ-ক্ষেত্রে ধান প্যাকেট করা এবং পরিবহণের ঝামেলা কৃষকদের পোহাতে হয়৷ কিন্তু, এখন ফঁড়েরা কৃষকদের বাড়িতে গিয়ে ধান ক্রয় করছেন৷ তা-ও নগদ টাকা সঙ্গে সঙ্গে কৃষকরা পেয়ে যাচ্ছেন৷ শুধু তা-ই নয়, প্রতি কেজি ধান ১৭ টাকায় বিক্রি করতে পারছেন কৃষকরা৷ তাতে এফসিআইয়ের তুলনায় দেড় টাকা কম পাচ্ছেন তাঁরা৷ ফলে, বাড়িতে বসে দেড় টাকা কমে ধান বিক্রি করলেও কৃষকরা লাভবান হচ্ছেন৷ তাই, এফসিআইয়ের মাধ্যমে ধান ক্রয়ের পরিমাণ কমেছে৷
কৃষিমন্ত্রীর কথায়, কৃষকদের আয় বৃদ্ধি আমাদের লক্ষ্য৷ তাতে, ধান কাদের মাধ্যমে ক্রয় করা হচ্ছে তা মুখ্য নয়৷


















