ইমফল, ৭ জুলাই (হি.স.) : কোয়ারেন্টাইন সেন্টারে জন্ম হয়েছে, তাই নাম রাখা হয়েছিল এমানুয়েল কোয়ারেন্টিনো। মণিপুরে ওই শিশুর জন্মের ঠিক এক মাসের মাথায় আরও দুই শিশুর জন্ম হয়েছে। কন্যা সন্তানের নাম কোভিনা এবং পুত্র সন্তানের নাম রাখা হয়েছে কোভিদা। করোনা-প্রকোপের মধ্যে তাদের জন্ম হওয়ায় নামাকরণে এই মহামারিকে স্মরণীয় করে রাখলেন মণিপুরের দুই দম্পতি।
গুড়গাঁও থেকে আগত মণিপুরি দম্পতির কাছে ১ জুলাই স্মরণীয় দিন হয়ে থাকবে। সেগিন ওরফে জিন হ্যাংশিং এবং নেংমিনহোই হ্যাংশিঙেরর প্রথম সন্তান প্রাতিষ্ঠানিক একান্তবাস কেন্দ্রে জন্ম নিয়েছে। সরকারি নির্দেশিকা অনুসারে তাঁদের সেখানেই চিকিৎসকদের নজরদারিতে রাখা হয়েছে। মগবাং মডেল গ্রামের বাসিন্দা সেগিন ওরফে জিন হ্যাংশিং ও তাঁর স্ত্রী ২৫ মে গুরগাঁও থেকে শ্রমিক বিশেষ ট্রেনে মণিপুর ফিরে আসেন এবং ২৯ মে জিরিবাম হয়ে কংপোকপিতে পৌঁছেছিলেন। তার পর থেকে তাঁরা আইজিএনটিইউ-আরসিএমস্থিত মখান প্রাতিষ্ঠানিক একান্তবাস কেন্দ্রে রয়েছেন। তাঁদের সাথে শতাধিক বহিঃরাজ্য ফেরত মণিপুরের নাগরিকও রয়েছেন।
মোৎবাং প্রাথমিক স্বাস্থ্য কেন্দ্রের চিকিৎসক ডা. ইমোচা এবং ডা. কেনেডি গত বুধবার সকাল ১১টা ৩৫ মিনিটে কন্যা সন্তানের প্রসব করান। কাংপকপই মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক ডা. নীলকান্ত সিং মেডিক্যাল সুপার ডা. পাওতিনলাল হাওকিপ তাঁদের সহায়তা করেন। ওই কন্যা সন্তানের সুস্থভাবে জন্ম হয়েছে। জন্মের সময় তার ওজন ছিল ২.৮ কেজি। ওই কন্যা সন্তানের নাম রাখা হয়েছে কোভিনা। তার জন্মের ঠিক দুদিন পর একান্তবাস কেন্দ্রে আরও একটি বাচ্চার জন্ম হয়। এবার পুত্র সন্তানের জন্ম হওয়ায় তার নাম রাখা হয় কোভিদা। জন্মের সময় তার ওজন ছিল ৪ কেজি। একই চিকিৎসকের দল দুই শিশুর জন্মের সময় অত্যন্ত দক্ষতার পরিচয় দিয়েছেন। ওই শিশুটির মা জেসমিন বেঙ্গালুরু থেকে মণিপুর ফিরেছেন। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, বাচ্চা ও মা সুস্থ আছেন।



















