কলকাতা, ১৬ জুলাই (আইএএনএস): সন্ত্রাসে অর্থ জোগানের অভিযোগে তদন্তের অংশ হিসেবে উত্তরপ্রদেশ অ্যান্টি-টেররিস্ট স্কোয়াড (ইউপি এটিএস) বৃহস্পতিবার কেন্দ্রীয় সশস্ত্র পুলিশ বাহিনীর (সিএপিএফ) জওয়ানদের নিয়ে পশ্চিমবঙ্গের উত্তর ২৪ পরগনা জেলার হাসনাবাদ ব্লকের ঐতিহাসিক রামেশ্বরপুর গ্রামে তল্লাশি চালায়। তল্লাশির লক্ষ্য ছিল স্থানীয় তৃণমূল কংগ্রেস নেতা আবদুল্লাহ গাজির বাড়ি এবং রামেশ্বরপুর দারুল উলুম মাদ্রাসা।
তদন্তকারী সংস্থার সন্দেহ, মাদ্রাসার সম্প্রসারণ ও নির্মাণের জন্য বিদেশ থেকে বিপুল পরিমাণ অর্থ আবদুল্লাহ গাজি এবং তাঁর ছেলের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে পাঠানো হয়েছিল।
সূত্রের খবর, একই অভিযোগে প্রায় দু’বছর আগে ইউপি এটিএস আবদুল্লাহ গাজিকে গ্রেফতার করেছিল। সেই মামলার তদন্ত চলাকালীন নতুন কিছু নথি হাতে আসার পরই ফের তল্লাশি অভিযান শুরু হয়েছে।
তদন্তকারীদের দাবি, মাদ্রাসা নির্মাণের অনুদানের নামে বিদেশি উৎস থেকে বিপুল অর্থ সংগ্রহ করা হলেও সেই অর্থ নির্ধারিত কাজে ব্যবহার না করে একাধিক ভুয়ো সংস্থার (শেল কোম্পানি) মাধ্যমে অন্যত্র সরিয়ে দেওয়া হয়। ওই অর্থের একটি অংশ সন্ত্রাসে অর্থ জোগাতে ব্যবহার করা হয়ে থাকতে পারে বলে সন্দেহ তদন্তকারীদের।
তল্লাশি চালাতে গিয়ে তদন্তকারী দল দেখতে পায়, আবদুল্লাহ গাজি এবং তাঁর ছেলে বাড়িতে ছিলেন না। তাঁদের পলাতক বলে মনে করা হচ্ছে। গাজির বাড়ি থেকে উদ্ধার হওয়া বিভিন্ন নথি খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা। এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত তল্লাশি অভিযান চলছিল।
এদিকে একই দিনে প্রয়োগকারী সংস্থা (ইডি)-র তিনটি পৃথক দল বসিরহাট মহকুমার হাড়োয়া এলাকায় ব্যবসায়ী আবদুস সামাদের সঙ্গে যুক্ত একটি ট্রাস্ট, একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং একটি মাদ্রাসায় তল্লাশি চালায়। আবদুস সামাদের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে বিপুল পরিমাণ বিদেশি মুদ্রার লেনদেনের তথ্য সামনে আসার পরই ইডি এই পদক্ষেপ করেছে।
























