গান্ধীনগর/নয়াদিল্লি, ১৫ জুলাই (আইএএনএস): গুজরাতের মুখ্যমন্ত্রী ভূপেন্দ্র পটেলের ৬৪তম জন্মদিন উপলক্ষে তাঁকে শুভেচ্ছা জানালেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এবং কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। জবাবে ভূপেন্দ্র পটেলও ‘বিকশিত ভারত @ ২০৪৭’-এর লক্ষ্য পূরণে গুজরাতের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন।
সামাজিক মাধ্যম এক্স-এ অমিত শাহ লেখেন, “গুজরাতের মুখ্যমন্ত্রী ভূপেন্দ্র পটেলকে আন্তরিক জন্মদিনের শুভেচ্ছা। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর নেতৃত্বে আপনি গুজরাতের উন্নয়নের যাত্রাকে ধারাবাহিকভাবে এগিয়ে নিয়ে যেতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন। সোমনাথ মহাদেবের কাছে আপনার সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু কামনা করছি।”
প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীও শুভেচ্ছাবার্তায় বলেন, “গুজরাতের মুখ্যমন্ত্রী ভূপেন্দ্র পটেলকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা। তিনি গুজরাতকে উন্নয়নের নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাওয়া এবং মানুষের আশা-আকাঙ্ক্ষা পূরণে অগ্রণী ভূমিকা পালন করছেন। তাঁর দীর্ঘ ও সুস্থ জীবন কামনা করছি।”
শুভেচ্ছার জবাবে ভূপেন্দ্র পটেল প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, তাঁর দূরদর্শী নেতৃত্বে ‘বিকশিত ভারত @ ২০৪৭’-এর স্বপ্ন বাস্তবায়নে গুজরাত অগ্রণী ভূমিকা পালন করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। তিনি জানান, ‘টিম গুজরাত’ সম্পূর্ণ নিষ্ঠা, স্বচ্ছতা ও আন্তরিকতার সঙ্গে সমাজের শেষ সারির মানুষ এবং বঞ্চিত শ্রেণির কল্যাণকে কেন্দ্র করে সর্বাঙ্গীণ ও অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়নের জন্য কাজ করছে।
অমিত শাহের শুভেচ্ছার প্রতিক্রিয়ায়ও মুখ্যমন্ত্রী কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী মোদী এবং অমিত শাহের দিকনির্দেশনায় ‘টিম গুজরাত’ গ্রামীণ অর্থনীতিকে আরও শক্তিশালী করা, সমবায় ক্ষেত্রের সম্প্রসারণ এবং আইন-শৃঙ্খলা বজায় রেখে রাজ্যের সামগ্রিক উন্নয়নে নিরলসভাবে কাজ করে যাবে।
১৯৬২ সালের ১৫ জুলাই আহমেদাবাদে জন্মগ্রহণ করেন ভূপেন্দ্র পটেল। ২০২১ সালের সেপ্টেম্বর থেকে তিনি গুজরাতের ১৭তম মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। ২০২২ সালের বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপির রেকর্ড জয়ের পর তিনি টানা দ্বিতীয়বার মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন।
পেশায় সিভিল ইঞ্জিনিয়ার ভূপেন্দ্র পটেল রাজনীতিতে আসার আগে স্থানীয় স্বশাসিত সংস্থার মাধ্যমে জনজীবনে প্রবেশ করেন। আহমেদাবাদ মিউনিসিপ্যাল কর্পোরেশনের কাউন্সিলর, আহমেদাবাদ আরবান ডেভেলপমেন্ট অথরিটির চেয়ারম্যান এবং পরে ঘটলোদিয়া কেন্দ্রের বিধায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে তাঁর নেতৃত্বে গুজরাতে শিল্প বিনিয়োগ, পরিকাঠামো উন্নয়ন, নগর প্রশাসন, সেমিকন্ডাক্টর, উৎপাদন শিল্প, নবায়নযোগ্য শক্তি এবং জনকল্যাণমূলক প্রকল্পে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি কেন্দ্রের ‘বিকশিত ভারত ২০৪৭’ কর্মসূচির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে একাধিক উন্নয়নমূলক উদ্যোগ বাস্তবায়ন করছে গুজরাত সরকার।



















