News Flash

  • Home
  • দেশ
  • ‘ভারত টেক্স ২০২৬’ বস্ত্র খাতের জন্য ভারতের ভিশন ২০৩০-এর রূপরেখার প্রতিফলন: প্রধানমন্ত্রী মোদি
Image

‘ভারত টেক্স ২০২৬’ বস্ত্র খাতের জন্য ভারতের ভিশন ২০৩০-এর রূপরেখার প্রতিফলন: প্রধানমন্ত্রী মোদি

নয়াদিল্লি, ১৫ জুলাই (আইএএনএস): দেশের সম্পূর্ণ বস্ত্র মূল্যশৃঙ্খলকে এক ছাদের নিচে নিয়ে আসা ‘ভারত টেক্স ২০২৬’ ভারতের বস্ত্র শিল্পের জন্য নির্ধারিত ভিশন ২০৩০-এর রূপরেখার প্রতিফলন বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। বুধবার তিনি এক্স (প্রাক্তন টুইটার)-এ কেন্দ্রীয় বস্ত্র প্রতিমন্ত্রী পবিত্র মার্গেরিটার লেখা একটি নিবন্ধ শেয়ার করে এই মন্তব্য করেন।

পবিত্র মার্গেরিটার নিবন্ধে বলা হয়েছে, কাশ্মীরের পশমিনা, অসমের মুগা সিল্ক, রাজস্থানের বর্ণাঢ্য বান্ধনি এবং তামিলনাড়ুর ঐতিহ্যবাহী কাঞ্জিভরম সিল্ক— ভারতের ভৌগোলিক ও সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্যের এক অনন্য প্রতিচ্ছবি। ১৪ থেকে ১৭ জুলাই পর্যন্ত নয়াদিল্লির ভারত মণ্ডপমে অনুষ্ঠিত ‘ভারত টেক্স ২০২৬’ এই বৈচিত্র্যকে এক মঞ্চে তুলে ধরেছে।

মন্ত্রী বলেন, ‘ভারত টেক্স’ ভারতের অন্যতম বৃহত্তম আন্তর্জাতিক বস্ত্র বাণিজ্য মেলা, যার লক্ষ্য বিশ্বের সামনে দেশের উৎপাদন সক্ষমতা, সৃজনশীলতা এবং বস্ত্র শিল্পের শক্তিকে তুলে ধরা। এই মেলায় দেশীয় উৎপাদক, বিভিন্ন রাজ্যের প্যাভিলিয়ন, আন্তর্জাতিক প্রদর্শক এবং বিশ্বজুড়ে ক্রেতাদের একত্রিত করা হয়েছে, যা উচ্চমূল্যের ব্যবসায়িক সুযোগ, কর্পোরেট অংশীদারিত্ব এবং ব্র্যান্ড প্রচারের নতুন দিগন্ত খুলে দিচ্ছে।

তিনি স্মরণ করিয়ে দেন, আগের দুটি সংস্করণের সাফল্যের কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বলেছিলেন, “আমরা যে বীজ রোপণ করেছিলাম, তা এখন দ্রুত একটি বিশাল বটবৃক্ষে পরিণত হচ্ছে।” তাঁর মতে, এই প্রদর্শনী শুধু ভারতের সমৃদ্ধ ঐতিহ্যকেই উদযাপন করে না, বরং উন্নত ভারতের অসীম সম্ভাবনাকেও তুলে ধরে।

মার্গেরিটার দাবি, প্রথম দুই সংস্করণের বিপুল সাফল্য, আন্তর্জাতিক ক্রেতাদের ব্যাপক অংশগ্রহণ এবং সরকার-সরকার ও ব্যবসা-সরকার স্তরের ফলপ্রসূ আলোচনার ভিত্তিতে তৃতীয় সংস্করণ আরও বড় পরিসরে অনুষ্ঠিত হচ্ছে। এটি ভারতের শিল্প সক্ষমতা এবং বাস্তবায়ন দক্ষতার প্রতি আন্তর্জাতিক আস্থা আরও সুদৃঢ় করেছে।

তিনি জানান, ভারত মণ্ডপমের একাধিক প্রদর্শনী হলে বিস্তৃত এই আয়োজনের মাধ্যমে দেশের সম্পূর্ণ বস্ত্র মূল্যশৃঙ্খল— ফাইবার, সুতো, কাপড়, পোশাক, ফ্যাশন, হোম টেক্সটাইল, টেকনিক্যাল টেক্সটাইল এবং সংশ্লিষ্ট শিল্পকে একত্রে উপস্থাপন করা হয়েছে।

নিবন্ধে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, ভারতের বস্ত্র শিল্প শুধু দেশের ঐতিহ্যের প্রতীক নয়, অর্থনীতির অন্যতম প্রধান ভিত্তিও। এই খাত দেশের মোট দেশজ উৎপাদনে (জিডিপি) ২.৩ শতাংশ, শিল্প উৎপাদনে ১৩ শতাংশ এবং মোট রপ্তানিতে ৮.৬ শতাংশ অবদান রাখে।

কৃষির পর বস্ত্র শিল্পই দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম কর্মসংস্থান প্রদানকারী খাত। এই শিল্পের মাধ্যমে ১০ কোটিরও বেশি মানুষের জীবিকা নির্বাহ হয়। পাশাপাশি গ্রামীণ অর্থনীতিকে শক্তিশালী করা এবং লক্ষ লক্ষ মহিলার আর্থিক স্বনির্ভরতা বৃদ্ধিতেও এই খাত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।

Releated Posts

পিওজেকে-র অশান্তিতে প্রাণহানিতে গভীর উদ্বেগ মিরওয়াইজ উমর ফারুকের, সংলাপের মাধ্যমে সমাধানের আহ্বান

শ্রীনগর, ১৫ জুলাই (আইএএনএস): পাকিস্তান অধিকৃত জম্মু ও কাশ্মীরে (পিওজেকে) চলমান অশান্তিতে সাধারণ মানুষ ও পুলিশকর্মীদের প্রাণহানির ঘটনায়…

ByByNews Desk Jul 15, 2026

দেশে ইউরিয়া উৎপাদন বাড়াতে ‘ন্যাশনাল ইনভেস্টমেন্ট পলিসি ফর ইউরিয়া-২০২৬’-এ কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার অনুমোদন

নয়াদিল্লি, ১৫ জুলাই (আইএএনএস): দেশে ইউরিয়া উৎপাদন বৃদ্ধি এবং সার ক্ষেত্রে আত্মনির্ভরতা অর্জনের লক্ষ্যে ‘ন্যাশনাল ইনভেস্টমেন্ট পলিসি ফর…

ByByNews Desk Jul 15, 2026

নয়ডার বহুতলে ভয়াবহ আগুন, শতাধিক বাসিন্দাকে উদ্ধার; দু’জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক

নয়ডা, ১৫ জুলাই (আইএএনএস): উত্তরপ্রদেশের নয়ডার ফেজ-৩ থানা এলাকার মামুরা গ্রামের একটি পাঁচতলা আবাসিক ভবনে মঙ্গলবার ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের…

ByByNews Desk Jul 15, 2026

বিধায়কদের বক্তব্য অনলাইনে আপলোড করা হবে, ভবিষ্যৎ নেতৃত্ব গড়তে সহায়ক হবে: ওম বিড়লা

জয়পুর, ১৫ জুলাই (আইএএনএস): রাজস্থান বিধানসভার ৭৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত ‘অমৃত মন্থন’ অনুষ্ঠানে লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লা বলেন,…

ByByNews Desk Jul 15, 2026

Leave a Reply

Scroll to Top