News Flash

  • Home
  • উত্তর-পূর্বাঞ্চল
  • অসম, ত্রিপুরা ও পশ্চিমবঙ্গে জেএমবির নেটওয়ার্ক বিস্তারের চেষ্টার অভিযোগে ১১ জনের বিরুদ্ধে এনআইএ-র চার্জশিট
Image

অসম, ত্রিপুরা ও পশ্চিমবঙ্গে জেএমবির নেটওয়ার্ক বিস্তারের চেষ্টার অভিযোগে ১১ জনের বিরুদ্ধে এনআইএ-র চার্জশিট

গুয়াহাটি, ২৬ জুন: নিষিদ্ধ জঙ্গি সংগঠন জামা’আতুল মুজাহিদিন বাংলাদেশ (জেএমবি)-এর একটি শাখার মাধ্যমে অসম, ত্রিপুরা, পশ্চিমবঙ্গ-সহ উত্তর-পূর্বাঞ্চলে জঙ্গি নেটওয়ার্ক বিস্তারের ষড়যন্ত্রের অভিযোগে ১১ জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিল করেছে জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা (এনআইএ)। শুক্রবার গুয়াহাটির এনআইএ বিশেষ আদালতে ভারতীয় ন্যায় সংহিতা (বিএনএস), ২০২৩ এবং বেআইনি কার্যকলাপ (প্রতিরোধ) আইন (ইউএপিএ), ১৯৬৭-এর সংশ্লিষ্ট ধারায় এই চার্জশিট জমা দেওয়া হয়।

এনআইএ-র তদন্তে উঠে এসেছে, অভিযুক্তরা ইমাম মাহমুদের কাফিলা (আইএমকে) নামে একটি সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত ছিল। তদন্তকারী সংস্থার দাবি, জেএমবির শীর্ষ সদস্য ইমাম মাহমুদ হাবিবুল্লাহ ভারতে নিষিদ্ধ সংগঠনটির কার্যকলাপ সম্প্রসারণের উদ্দেশ্যে এই শাখা সংগঠনটি গড়ে তুলেছিলেন।

এনআইএ-র অভিযোগ, আইএমকে-র মাধ্যমে পশ্চিমবঙ্গ, অসম, ত্রিপুরা এবং উত্তর-পূর্বাঞ্চলের অন্যান্য রাজ্যে জেএমবির উগ্রপন্থী মতাদর্শ ছড়িয়ে দেওয়ার পরিকল্পনা করা হয়। বিশেষ করে দুর্বল ও সহজে প্রভাবিত হতে পারে এমন যুবকদের উগ্রপন্থায় উদ্বুদ্ধ করা, সংগঠনের নেটওয়ার্ক বিস্তার এবং ভারতবিরোধী প্রচার চালানো ছিল এই চক্রের মূল লক্ষ্য।

তদন্তে আরও জানা গেছে, অভিযুক্তরা গোপন বৈঠকের আয়োজন, ধর্মীয় মতাদর্শের নামে উগ্রপন্থী প্রচার, জঙ্গিবাদী সাহিত্য বিতরণ এবং ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে নতুন সদস্য সংগ্রহের কাজ চালাত। পাশাপাশি, আইএমকে ও জেএমবির নেতৃত্বের প্রতি আনুগত্য গড়ে তুলতেও তারা সক্রিয় ছিল বলে এনআইএ দাবি করেছে।

চার্জশিটে নাম থাকা অভিযুক্তদের মধ্যে নাসিমুদ্দিনকে আসামে আইএমকে-র কার্যকলাপের প্রধান হিসেবে চিহ্নিত করেছে এনআইএ। অন্যদিকে, জগীর মিয়াকে ত্রিপুরায় সংগঠনটির কার্যক্রম পরিচালনার দায়িত্বে ছিলেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

তদন্ত চলাকালীন বিভিন্ন জায়গায় তল্লাশি চালিয়ে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ নথি, ইলেকট্রনিক ডিভাইস এবং ডিজিটাল তথ্য উদ্ধার করেছে এনআইএ। সংস্থার দাবি, উদ্ধার হওয়া তথ্যপ্রমাণে অভিযুক্তদের কথিত জঙ্গি ষড়যন্ত্র, সদস্য সংগ্রহ এবং উগ্রপন্থী কার্যকলাপের সঙ্গে জড়িত থাকার প্রমাণ মিলেছে।

এনআইএ জানিয়েছে, দেশে সক্রিয় জঙ্গি নেটওয়ার্ক ভেঙে দেওয়া এবং উগ্রপন্থী সংগঠনের বিস্তার রোধে তাদের চলমান অভিযানের অংশ হিসেবেই এই তদন্ত পরিচালিত হয়েছে।

তবে, এনআইএ যে অভিযোগগুলি এনেছে, সেগুলি এখনও আদালতে বিচারাধীন। বিচার প্রক্রিয়ার মাধ্যমে উপস্থাপিত প্রমাণের ভিত্তিতেই অভিযুক্তদের দোষী বা নির্দোষ হওয়ার বিষয়টি আদালত নির্ধারণ করবে।

Releated Posts

ভেজাল মদ খেয়ে নাগাল্যান্ডে ১৯ জনের মৃত্যু, গ্রেফতার ১৯

কোহিমা, ২৬ সেপ্টেম্বর (আইএএনএস): সন্দেহজনক ভেজাল মদ পান করে গত দু’দিনে নাগাল্যান্ডের মোককচুং ও তুয়েনসাং জেলায় অন্তত ১৯…

ByByNews Desk Sep 26, 2026

সীমান্ত ও পাহাড়ি এলাকায় বিএসএনএলের নেটওয়ার্ক শক্তিশালী করার দাবি, ৫জি পরিষেবা নিয়ে প্রশ্ন বিপ্লবের

আগরতলা, ২৬ সেপ্টেম্বর: ত্রিপুরার সীমান্ত ও পাহাড়ি এলাকায় বিএসএনএলের নেটওয়ার্ক পরিষেবা আরও শক্তিশালী করার পাশাপাশি গ্রাহক পরিষেবার মানোন্নয়নের…

ByByTaniya Chakraborty Sep 26, 2026

ত্রিপুরা মহিলা কমিশনের চেয়ারপার্সন পদে ফের ঝর্ণা দেববর্মা, নতুন তিন সদস্যের অন্তর্ভুক্তি

আগরতলা, ২৬ সেপ্টেম্বর: ত্রিপুরা রাজ্য মহিলা কমিশনের (টিসিডব্লিউ) চেয়ারপার্সন পদে ফের নিয়োগ পেলেন ঝর্ণা দেববর্মা। আরও তিন বছরের…

ByByTaniya Chakraborty Sep 26, 2026

আগরতলা বিমানবন্দরের নতুন অধিকর্তা শেখর দেববর্মা, স্থানীয় পণ্য ও ভাষা প্রচারে জোর

আগরতলা, ২৬ সেপ্টেম্বর: দীর্ঘদিন পর ফের আগরতলায় ফিরলেন ত্রিপুরার ভূমিপুত্র তথা অভিজ্ঞ বিমান পরিষেবা আধিকারিক শেখর দেববর্মা। মহারাজা…

ByByTaniya Chakraborty Sep 26, 2026
Scroll to Top