আগরতলা, ২৮ মে : বিজেপি এবং কংগ্রেস উভয়ের কাছেই প্রধান রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ হল মার্কসবাদী কমিউনিস্ট পার্টি। সিপিআইএমকে দুর্বল করার উদ্দেশ্যে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থাকে ব্যবহার করা হচ্ছে। কিন্তু দুঃখের বিষয় বিভিন্ন কৌশল অবলম্বন করেও সিপিআইএমকে স্তব্ধ করা যাবে না। আজ কেন্দ্র সরকারের বিরুদ্ধে এভাবেই সুর চড়িয়েছেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী তথা প্রাক্তন পলিটব্যুরো সদস্য মানিক সরকার।
কেরলের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী পিনারাই বিজয়নের বাড়িতে ইডি-র তল্লাশির প্রতিবাদে সিপিআইএমের তরফ থেকে শহরে বিক্ষোভ মিছিলের বের করা হয়েছে। ওই মিছিলের উপস্থিত ছিলেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী তথা প্রাক্তন পলিটব্যুরো সদস্য মানিক সরকার, প্রাক্তন মন্ত্রী মানিক দে, সিপিআইএম নেতা পবিত্র কর সহ অন্যান্য নেতৃত্ব। মিছিলটি আগরতলা শহরের বিভিন্ন রাস্তা পরিক্রমা করে পরবর্তী সময়ে প্রতিবাদী সভার আয়োজন করে।
এদিন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মানিক সরকার বলেন, বিজেপি এবং কংগ্রেস উভয়ের কাছেই প্রধান রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ হল মার্কসবাদী কমিউনিস্ট পার্টি। কেরলমের সিপিআইএমের অন্যতম শক্ত ঘাঁটি হওয়ায় সেখানে দলকে দুর্বল করার উদ্দেশ্যে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থাকে ব্যবহার করা হচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, ইডি, সিবিআই এবং প্রশাসনিক শক্তিকে ব্যবহার করে নির্বাচন প্রহসনে পরিণত করা হচ্ছে। ভোট লুট ও অর্থের প্রভাব খাটিয়ে সরকার গঠন করা হলেও তা দীর্ঘস্থায়ী হবে না। তাঁর দাবি, বর্তমানে সিপিআইএম সাংগঠনিকভাবে কিছুটা দুর্বল হলেও দলের নীতি ও আদর্শ সঠিক পথেই রয়েছে। মানুষের সঙ্গে নিবিড় সম্পর্ক গড়ে তুলে, তাদের সমস্যার কথা শুনে ও প্রশ্নের জবাব দিয়েই দল আবার শক্তিশালী হয়ে উঠবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
তাঁর অভিযোগ, ইডি ও সিবিআই দিয়ে দলের শীর্ষ নেতৃত্বকে গ্রেপ্তার করে সিপিআইএমকে স্তব্ধ করা যাবে। এমনটা যারা ভাবছে তাঁরা মূর্খের স্বর্গে বাস করছেন। সিপিআইএম লড়াইয়ের ময়দানে ছিল, আছে এবং আগামী দিনেও থাকবে।
কেরলমের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধে ইডি-র পদক্ষেপকে স্বৈরাচার ও নয়া ফ্যাসিবাদের বহিঃপ্রকাশ বলেও মন্তব্য করেন তিনি। পাশাপাশি আরএসএস নেতৃত্বাধীন বিজেপির বিরুদ্ধে বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলিকে দমিয়ে দেওয়ার অভিযোগও তুলেন মানিক সরকার।



















