নয়াদিল্লি, ১৩ জুলাই (আইএএনএস): দিল্লির দিল্লি হাটে অনুষ্ঠিত চারদিনব্যাপী পাইনঅ্যাপল ফেস্টিভ্যালের সমাপনী অনুষ্ঠানে তরুণ সঙ্গীতশিল্পীদের সঙ্গে গিটার বাজিয়ে অংশ নিলেন মেঘালয়ের মুখ্যমন্ত্রী কনরাড কে. সাংমা। এই অনুষ্ঠানের মাধ্যমে তিনি মেঘালয়ের সমৃদ্ধ সঙ্গীত ঐতিহ্য তুলে ধরার পাশাপাশি সঙ্গীতকে যুবসমাজের জীবিকার অন্যতম মাধ্যম হিসেবে গড়ে তোলার সরকারি উদ্যোগের কথাও তুলে ধরেন।
সমাপনী অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রী চিফ মিনিস্টার’স মেঘালয় গ্রাসরুটস মিউজিক প্রোগ্রাম-এর সঙ্গে যুক্ত শিল্পীদের সঙ্গে মঞ্চ ভাগ করে নেন। বক্তব্যে তিনি জানান, রাজ্য সরকার দীর্ঘদিন ধরেই তরুণ শিল্পীদের প্রতিভা বিকাশে বিনিয়োগ করে আসছে।
সাংমা বলেন, “আমাদের ‘মেঘালয় গ্রাসরুটস মিউজিক প্রোগ্রাম’-এ বর্তমানে ৭,০০০-এরও বেশি শিল্পী যুক্ত রয়েছেন। এই কর্মসূচির আওতায় ইতিমধ্যেই ৩৮ হাজারের বেশি অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়েছে। আজ মেঘালয়ের বিভিন্ন পর্যটন কেন্দ্রে গেলে এই শিল্পীদের নিয়মিত পরিবেশনা দেখতে পাবেন।”
তিনি আরও বলেন, রাজ্য সরকার শিল্পীদের আর্থিক সহায়তা দেয়, যাতে তারা সঙ্গীতচর্চার পাশাপাশি এটিকে জীবিকার মাধ্যম হিসেবেও গড়ে তুলতে পারেন। একই সঙ্গে পর্যটকরাও মেঘালয়ের সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের সঙ্গে পরিচিত হওয়ার সুযোগ পান।
মুখ্যমন্ত্রীর মতে, সংস্কৃতি, পর্যটন এবং অর্থনৈতিক উন্নয়নকে একসূত্রে বেঁধে সৃজনশীল অর্থনীতির মাধ্যমে স্থানীয় শিল্পীদের জন্য টেকসই কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করাই রাজ্য সরকারের লক্ষ্য।
উল্লেখ্য, মেঘালয়ের বিশ্বখ্যাত আনারসের প্রচারের উদ্দেশ্যে দিল্লিতে আয়োজিত চারদিনের এই পাইনঅ্যাপল ফেস্টিভ্যালে রাজ্যের কৃষিপণ্য, ঐতিহ্যবাহী খাবার, হস্তশিল্প এবং সাংস্কৃতিক পরিবেশনা দর্শকদের বিশেষভাবে আকৃষ্ট করে। সিএম-এর শিল্পীদের পরিবেশনা উৎসবকে আরও প্রাণবন্ত করে তোলে এবং মেঘালয়ের সমৃদ্ধ সাংস্কৃতিক পরিচিতিকে জাতীয় স্তরে তুলে ধরে।
সরকারি সূত্রের দাবি, এই উদ্যোগের মাধ্যমে পর্যটন শিল্পকে আরও শক্তিশালী করার পাশাপাশি হাজার হাজার তরুণ শিল্পীর জন্য নিয়মিত কর্মসংস্থানের সুযোগও সৃষ্টি হয়েছে।
























