News Flash

  • Home
  • মুখ্য খবর
  • চোরের উপদ্রবে আতঙ্কে শান্তিরবাজার শহর, পুলিশের ভূমিকা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন
Image

চোরের উপদ্রবে আতঙ্কে শান্তিরবাজার শহর, পুলিশের ভূমিকা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন

শান্তিরবাজার, ২৬ মে: বর্তমান সময়ে শান্তিরবাজার শহরে ক্রমশ বৃদ্ধি পাচ্ছে চুরির ঘটনা। বাইক, বাইসাইকেল, গ্যাসের সিলিন্ডার থেকে শুরু করে গরু পর্যন্ত চুরি করে নিয়ে যাচ্ছে দুষ্কৃতীরা। একের পর এক চুরির ঘটনায় আতঙ্কিত হয়ে পড়েছেন শহর ও আশপাশ এলাকার বাসিন্দারা। পাশাপাশি পুলিশের ভূমিকা নিয়েও উঠতে শুরু করেছে একাধিক প্রশ্ন।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, কয়েকদিন আগে শান্তিরবাজার শহরের মষ্টারপাড়া এলাকা থেকে একটি মোটরবাইক চুরি হয়ে যায়। এরপর শহরের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে একাধিক বাইসাইকেল চুরির ঘটনাও সামনে আসে। শুধু তাই নয়, বিভিন্ন বাড়ি থেকে গরু চুরির ঘটনাও প্রায় নিত্যদিনের ব্যাপার হয়ে দাঁড়িয়েছে বলে অভিযোগ স্থানীয়দের।

এরই মধ্যে গত রবিবার রাতে শান্তিরবাজার পুরপরিষদের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের সুরপাড়া এলাকায় একই রাতে ছয়টি বাড়িতে চুরির ঘটনা ঘটে। চোরের দল বাড়িগুলি থেকে একাধিক গ্যাস সিলিন্ডার সহ বিভিন্ন মূল্যবান সামগ্রী নিয়ে পালিয়ে যায় বলে অভিযোগ। এরপর সোমবার রাতেও ওই এলাকাতেই একটি কালী মন্দিরে চুরির ঘটনা ঘটে, যা নতুন করে উদ্বেগ বাড়িয়েছে স্থানীয়দের মধ্যে।

এলাকাবাসীদের দাবি, গভীর রাতে গরু চুরির উদ্দেশ্যে কয়েকজন দুষ্কৃতী বলেরো গাড়ি, অটো ও বাইক নিয়ে এলাকায় ঘোরাফেরা করে। তবে স্থানীয়দের উপস্থিতি টের পেয়ে দ্রুত এলাকা ছেড়ে পালিয়ে যায় তারা। এই ধারাবাহিক চুরির ঘটনায় সাধারণ মানুষের মধ্যে ভয় ও নিরাপত্তাহীনতার পরিবেশ তৈরি হয়েছে।

চুরির খবর পেয়ে শান্তিরবাজার থানার পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করলেও, স্থানীয়দের অভিযোগ শুধুমাত্র ডায়েরিতে ঘটনার বিবরণ লিপিবদ্ধ করেই দায়িত্ব শেষ করছে পুলিশ। অপরাধ দমনে কার্যকর কোনও পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে না বলেও অভিযোগ উঠেছে।

এছাড়া শান্তিরবাজার থানার অধীনে কর্মরত ডি আই বি কর্মীদের ভূমিকাও প্রশ্নের মুখে পড়েছে। স্থানীয়দের একাংশের অভিযোগ, কোনও ঘটনা ঘটার পরে তার রিপোর্ট উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠালেও, আগাম সন্দেহজনক গতিবিধি সম্পর্কে গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহ বা প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা নিতে ব্যর্থ হচ্ছেন তারা। ফলে চুরির ঘটনা ক্রমেই বেড়ে চলেছে বলে মত সাধারণ মানুষের।

তবে ডি আই বি কর্মীদের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি। এদিকে পুলিশ প্রশাসনের নীরব ভূমিকায় ক্ষোভ বাড়ছে শহরবাসীর মধ্যে। এখন দেখার, চুরির ঘটনায় জড়িতদের গ্রেপ্তার এবং সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পুলিশ প্রশাসন কী ধরনের পদক্ষেপ গ্রহণ করে

Releated Posts

জিরো পয়েন্টে বাঁধ সংস্কারে বাধার অভিযোগ, ১২ গ্রাম প্লাবনের আশঙ্কায় টিলাবাজারে পথ অবরোধ

কৈলাসহর, ১২ জুলাই : ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী ত্রিপুরার ঊনকোটি জেলার কৈলাসহরের আন্তর্জাতিক জিরো পয়েন্ট এলাকায় মনু নদীর ভাঙন রোধে…

ByByTaniya Chakraborty Jul 12, 2026

মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ ত্রিপুরা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের

আগরতলা, ১২ জুলাই: মুখ্যমন্ত্রী অধ্যাপক (ডা.) মানিক সাহার সঙ্গে সাক্ষাৎ করলেন ত্রিপুরা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. দেবব্রত দাস।…

ByByTaniya Chakraborty Jul 12, 2026

মনু নদীর বাঁধ মেরামত ঘিরে উত্তেজনা: লাঠিয়াপুরায় ঠিকাদারি বিরোধ, প্রতিবাদে টিলাবাজারে রাস্তা অবরোধ

কৈলাসহর, ১২ জুলাই: টানা বর্ষণের জেরে মনু নদীর জলস্তর বৃদ্ধি এবং সম্ভাব্য নদীভাঙনের আশঙ্কার মধ্যেই বাঁধ মেরামতের জরুরি…

ByByReshmi Debnath Jul 12, 2026

জিরানিয়ায় বড়সড় মাদকবিরোধী অভিযান: ১০ হাজার ইয়াবাসহ দুই পাচারকারী গ্রেফতার, ধৃতদের একজন সরকারি কর্মচারী

আগরতলা, ১২ জুলাই: রাজ্যে মাদকবিরোধী অভিযানে ফের বড়সড় সাফল্য পেল রাজ্য পুলিশের এন্টি নারকোটিক শাখা (এএনসি) এবং আসাম…

ByByReshmi Debnath Jul 12, 2026
Scroll to Top