নয়াদিল্লি, ২৩ মে (আইএএনএস) : জনসমাগমপূর্ণ রাস্তা বা প্রকাশ্য স্থানে নামাজ পড়ার উপর নিষেধাজ্ঞা নিয়ে গিরিরাজ সিং শনিবার পুষ্কর সিং ধামী-র অবস্থানকে সমর্থন জানালেন। কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর বক্তব্য, ধর্মীয় অনুষ্ঠান পালনের সময় আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখাই প্রশাসনের প্রধান দায়িত্ব হওয়া উচিত।
ঈদ উপলক্ষে বিভিন্ন রাজ্যে প্রকাশ্য স্থানে ধর্মীয় জমায়েত ও রাস্তায় নামাজ নিয়ে জারি হওয়া নির্দেশিকা ঘিরে চলা বিতর্কের মধ্যেই তাঁর এই মন্তব্য সামনে এসেছে।
গিরিরাজ সিং বলেন, “এই ব্যবস্থার সমালোচনা করা হচ্ছে, এবং ভারতে কিছু মানুষ পরিবেশ নষ্ট করার চেষ্টা করেছেন। আমি সেই সব মুখ্যমন্ত্রীদের ধন্যবাদ জানাই, যারা আইনশৃঙ্খলার স্বার্থে এমন ব্যবস্থা নিয়েছেন ও নির্দেশ জারি করেছেন। বিশেষ করে আমি মুখ্যমন্ত্রী পুষ্কর সিং ধামিকে ধন্যবাদ জানাই, যিনি নিশ্চিত করেছেন যাতে প্রকাশ্য স্থানে নামাজ না পড়া হয়।”
সম্প্রতি উত্তরাখণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী স্পষ্ট জানিয়ে দেন, রাজ্যে রাস্তায় নামাজ পড়ার অনুমতি দেওয়া হবে না।
শুক্রবার দেরাদুনে সেচ ও কৃষি দফতরের নবনিযুক্ত কর্মীদের উদ্দেশে বক্তব্য রাখতে গিয়ে ধামি বলেন, “আইনের ঊর্ধ্বে কেউ নয়।” চারধাম যাত্রার মরশুমে যান চলাচল স্বাভাবিক রাখা এবং জনশৃঙ্খলা বজায় রাখাকে রাজ্য সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকার বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
ধামি আরও বলেন, ধর্মীয় আচার পালনের নামে সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবন বা আইনশৃঙ্খলা ব্যবস্থায় বিঘ্ন ঘটানো উচিত নয়।
উত্তরপ্রদেশ-সহ একাধিক রাজ্যে প্রকাশ্য স্থানে ধর্মীয় জমায়েত নিয়ে আলোচনার আবহেই তাঁর এই মন্তব্য তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।
বকরিদ উপলক্ষে জারি হওয়া নির্দেশিকা প্রসঙ্গে গিরিরাজ সিং গরু কোরবানি নিয়েও মন্তব্য করেন। তিনি বলেন, “ইরান বা আরব দেশগুলিতে কি এভাবে গরু কাটা হয়? আর হলেও কি রাস্তায় করা হয়? ভারতে হিন্দুদের উসকানি দিতেই এই প্রথা শুরু হয়েছে। পাকিস্তানের মতো দেশেও হিন্দুরা গরুকে পূজা করে এসেছে। মানুষের অনুভূতিতে আঘাত দিতেই এই ধরনের কোরবানির প্রচলন শুরু হয়েছে। কোথাও এটি লেখা নেই।”



















