নয়াদিল্লি, ১৩ মে : সিবিএসই বুধবার দ্বাদশ শ্রেণির বোর্ড পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ করেছে। এবারের পরীক্ষায় দেশের মধ্যে সর্বোচ্চ পাশের হার অর্জন করেছে কেরলের তিরুবনন্তপুরম অঞ্চল।
সিবিএসই-র প্রকাশিত অঞ্চলভিত্তিক ফলাফল অনুযায়ী, তিরুবনন্তপুরম অঞ্চলের পাশের হার ৯৫.৬২ শতাংশ। দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে চেন্নাই অঞ্চল, যেখানে পাশের হার ৯৩.৮৪ শতাংশ। তৃতীয় স্থানে থাকা বেঙ্গালুরু অঞ্চলের পাশের হার ৯৩.১৯ শতাংশ।
অন্ধ্রপ্রদেশের বিজয়ওয়াড়া অঞ্চলে পাশের হার ৯২.৭৭ শতাংশ। দিল্লি পশ্চিম অঞ্চলে এই হার ৯২.৩৪ শতাংশ এবং দিল্লি পূর্ব অঞ্চলে ৯১.৭৩ শতাংশ।
এছাড়াও আহমেদাবাদ অঞ্চলে পাশের হার ৯০.৬০ শতাংশ, গুরুগ্রাম অঞ্চলে ৮৮.৪৫ শতাংশ, লুধিয়ানা অঞ্চলে ৮৭.৯২ শতাংশ এবং পুনে অঞ্চলে ৮৭.৩২ শতাংশ।
সবচেয়ে কম পাশের হার দেখা গিয়েছে প্রয়াগরাজ অঞ্চলে, যেখানে ফলাফল ৭২.৪৩ শতাংশ। পাটনা অঞ্চলে পাশের হার ৭৪.৪৫ শতাংশ।
দশম ও দ্বাদশ শ্রেণির ফল প্রকাশের পাশাপাশি ডিজিটাল নথি ও অনলাইন পরিষেবা সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ তথ্যও জানিয়েছে সিবিএসই। বোর্ডের তরফে জানানো হয়েছে, শিক্ষার্থীরা সহজেই ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে নিজেদের নম্বরপত্র ও অন্যান্য শংসাপত্র সংগ্রহ করতে পারবে।
সিবিএসই জানিয়েছে, শিক্ষার্থীরা ডিজিলকার মোবাইল অ্যাপ ব্যবহার করে মার্কশিট, পাশের শংসাপত্র, মাইগ্রেশন সার্টিফিকেট এবং স্কিল সার্টিফিকেট দেখতে ও ডাউনলোড করতে পারবে। পাশাপাশি ফলাফল দেখার জন্য উমঙ্গ অ্যাপও চালু রাখা হয়েছে।
বোর্ডের ডিজিটাল একাডেমিক রিপোজিটরি ‘পরিণাম মঞ্জুষা’-র মাধ্যমে ফল প্রকাশের সঙ্গে সঙ্গেই সমস্ত ডিজিটাল নথি উপলব্ধ করা হয়েছে। বিদেশে অধ্যয়নরত শিক্ষার্থীরাও ই-মেলের মাধ্যমে ডিজিটাল নথি পাবে বলে জানানো হয়েছে। তবে প্রিন্টেড মার্কশিট ও শংসাপত্র সংশ্লিষ্ট স্কুলের মাধ্যমেই পাঠানো হবে।
প্রাইভেট পরীক্ষার্থীদের জন্যও পৃথক ব্যবস্থা করেছে বোর্ড। আধার নম্বরের মাধ্যমে তারা ডিজিলকারে ইলেকট্রনিক নথি পাবে।
দিল্লি পূর্ব ও দিল্লি পশ্চিম আঞ্চলিক অফিসের আওতাধীন শিক্ষার্থীদের বাদ দিয়ে অন্যান্য সমস্ত অঞ্চলের পরীক্ষার্থীদের প্রিন্টেড নথি পরীক্ষার ফর্মে দেওয়া ঠিকানায় পাঠানো হবে। দিল্লির শিক্ষার্থীদের পরীক্ষাকেন্দ্র থেকে নথি সংগ্রহ করতে হবে।
সিবিএসই আরও জানিয়েছে, মূল পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হলেও যারা নম্বর উন্নতির সুযোগ নিতে চায় এবং কম্পার্টমেন্ট বিভাগে থাকা শিক্ষার্থীদের জন্য আবেদন প্রক্রিয়া আগামী ২ জুন, ২০২৬ থেকে শুরু হবে। এ সংক্রান্ত বিস্তারিত বিজ্ঞপ্তি খুব শীঘ্রই প্রকাশ করা হবে।
বোর্ড স্পষ্ট করেছে, পুরো প্রক্রিয়াই অনলাইনে সম্পন্ন হবে এবং অনলাইন তালিকা জমা দেওয়ার পর আর নাম বা বিষয় পরিবর্তনের আবেদন গ্রহণ করা হবে না। নির্ধারিত সময়সীমা কঠোরভাবে মেনে চলার জন্য স্কুল ও শিক্ষার্থীদের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।


















