নয়াদিল্লি, ৮ মে(আইএএনএস): বিহার মন্ত্রিসভার সম্প্রসারণের পর নবনিযুক্ত মন্ত্রীদের মধ্যে দপ্তর বণ্টন সম্পন্ন হয়েছে। এনডিএ জোটের নেতারা জানিয়েছেন, নতুন টিম ঐক্যবদ্ধভাবে রাজ্যের উন্নয়ন ও প্রশাসনিক পরিষেবা আরও শক্তিশালী করতে কাজ করবে।
নবনিযুক্ত মন্ত্রী দিলীপ কুমার জয়সওয়াল জানিয়েছেন, তাঁকে রাজস্ব ও ভূমি সংস্কার দপ্তরের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে এবং তিনি অবিলম্বে কাজ শুরু করবেন। তিনি বলেন, “বিহার সরকারের লক্ষ্য হল প্রতিটি নাগরিক যেন বাড়ির কাছেই সরকারি পরিষেবা ও ন্যায়বিচার পান।” পাশাপাশি তিনি দাবি করেন, এনডিএ জোট সম্পূর্ণ ঐক্যবদ্ধভাবে জনকল্যাণে কাজ করছে।
মন্ত্রী প্রমোদ কুমার চন্দ্রবংশী মুখ্যমন্ত্রী ও উপমুখ্যমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, তাঁর উপর অর্পিত দায়িত্ব নিষ্ঠার সঙ্গে পালন করবেন এবং সরকারি প্রকল্পগুলি কার্যকরভাবে বাস্তবায়নের চেষ্টা করবেন।
মন্ত্রী রাম কৃপাল যাদব বলেন, মন্ত্রিসভার এই সম্প্রসারণ সরকারের মধ্যে নতুন উদ্যম সৃষ্টি করেছে। তাঁর কথায়, “মুখ্যমন্ত্রীর নেতৃত্বে পুরো টিম ‘বিকশিত বিহার’-এর স্বপ্ন পূরণে কাজ করবে, যা মুখ্যমন্ত্রী ও প্রধানমন্ত্রী উভয়েরই লক্ষ্য।”
তিনি আরও বলেন, বিজেপি, লোক জনশক্তি পার্টি (রামবিলাস) এবং এনডিএ-র অন্যান্য শরিক দল উন্নয়ন ও সুশাসনের লক্ষ্যে সম্পূর্ণ ঐক্যবদ্ধ।
রাজ্যসভার সাংসদ ও জেডিইউ-র কার্যকরী জাতীয় সভাপতি সঞ্জয় ঝা বলেন, নতুন মন্ত্রিসভায় মহিলা, যুব ও অভিজ্ঞ নেতাদের মধ্যে ভারসাম্য রাখা হয়েছে। তিনি জানান, “২০২৫ সালের জনাদেশের ভিত্তিতে আজ থেকেই সরকার পূর্ণ উদ্যমে বিহারের উন্নয়নে কাজ শুরু করবে।”
অন্যদিকে, বিহার বিজেপি সভাপতি সঞ্জয় সরাওগী নতুন মন্ত্রীদের অভিনন্দন জানিয়ে বলেন, এনডিএ সরকার সমাজের সব শ্রেণির মানুষের সেবায় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। তিনি বলেন, “মুখ্যমন্ত্রীর লক্ষ্য বিহারকে আরও এগিয়ে নিয়ে যাওয়া। জঙ্গলরাজ থেকে সুশাসন এবং সেখান থেকে সমৃদ্ধির পথে এগিয়ে যাওয়ার লক্ষ্যে এই টিম কাজ করবে।”
তিনি আরও জানান, তরুণ ও শিক্ষিত নেতাদের গুরুত্বপূর্ণ দপ্তরের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। উদাহরণ হিসেবে তিনি বলেন, নিশান্ত কুমার-কে স্বাস্থ্য দপ্তরের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি শিক্ষা, উচ্চশিক্ষা ও কৃষির মতো গুরুত্বপূর্ণ দপ্তর অভিজ্ঞ বিধায়কদের হাতে তুলে দিয়ে প্রশাসনিক দক্ষতা বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
এনডিএ নেতৃত্বের দাবি, সম্প্রসারিত মন্ত্রিসভা এখন সমন্বয়ের মাধ্যমে বিহারে উন্নয়নের গতি আরও ত্বরান্বিত করবে এবং সাধারণ মানুষের কাছে সরকারি পরিষেবা পৌঁছে দেওয়ার ক্ষেত্রে কার্যকর ভূমিকা নেবে।



















