আগরতলা, ২৭ এপ্রিল: প্রজ্ঞা ভবনে ২০২৭ সালের আদমশুমারির প্রথম পর্যায়ের প্রস্তুতি নিয়ে একদিনের রাজ্যস্তরের গুরুত্বপূর্ণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়। কর্মশালায় উপস্থিত ছিলেন ত্রিপুরার ডিরেক্টর অব সেনসাস অপারেশন (ডিসিও) রতন বিশ্বাস, ভারত সরকারের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অফিস অফ দ্য রেজিস্ট্রার জেনারেল অ্যান্ড সেনসাস কমিশনার-এর ডেপুটি রেজিস্ট্রার জেনারেল সুভাষ দাসগুপ্ত সহ অন্যান্য উচ্চপদস্থ আধিকারিকরা।
এই কর্মশালার মূল উদ্দেশ্য ছিল রাজ্যে জনগণনার প্রথম পর্যায় কীভাবে সুষ্ঠুভাবে পরিচালিত হবে, তার বিস্তারিত পরিকল্পনা ও কৌশল নিয়ে আলোচনা করা। সভায় রাজ্যের সব জেলার ডিএম, এডিএম, এসডিএম সহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরের আধিকারিকরা অংশগ্রহণ করেন।
জানা গেছে, এবারের জনগণনায় প্রায় ১১ হাজার কর্মী নিয়োজিত থাকবেন এবং সম্পূর্ণ প্রক্রিয়াটি ডিজিটাল পদ্ধতিতে সম্পন্ন করা হবে। প্রথম পর্যায়ের কাজ শুরু হবে আগামী ১৭ জুলাই থেকে, যা চলবে ৩১ জুলাই পর্যন্ত। এরপর দ্বিতীয় পর্যায় শুরু হবে ১ আগস্ট থেকে এবং তা চলবে ৩০ আগস্ট পর্যন্ত, মোট ৪৫ দিনব্যাপী এই কার্যক্রম পরিচালিত হবে।
কর্মশালায় বাড়ির তালিকাভুক্তি ও হাউজিং সেনসাস সংক্রান্ত প্রথম পর্যায়ের কাজ, জনগণনার সামগ্রিক প্রক্রিয়া, প্রশ্নপত্রের কাঠামো এবং ডিজিটাল টুলস ব্যবহারের বিষয়ে বিশদ আলোচনা হয়। এছাড়াও এবং মোবাইল অ্যাপের মাধ্যমে তথ্য সংগ্রহ, অগ্রগতি পর্যবেক্ষণ এবং স্ব-গণনার পদ্ধতি নিয়েও প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়।
রাজ্যে জনগণনা সংক্রান্ত কাজের অগ্রগতি, কর্মী নিয়োগ ও প্রশিক্ষণ, তহবিল বিতরণ, ইউটিলাইজেশন সার্টিফিকেট এবং বিভিন্ন স্তরের কর্মীদের ভূমিকা নিয়েও পর্যালোচনা করা হয়। পাশাপাশি মাঠ পর্যায়ে কাজের সম্ভাব্য চ্যালেঞ্জ, আন্তঃসংস্থা সমন্বয় এবং জনসচেতনতা বাড়াতে প্রচার কার্যক্রমের ওপরও জোর দেওয়া হয়।
সরকারি সূত্রে জানা গেছে, আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহারের মাধ্যমে এবারের জনগণনাকে আরও নির্ভুল, স্বচ্ছ এবং দ্রুত সম্পন্ন করার লক্ষ্য নেওয়া হয়েছে।



















