‘মেক ইন ইন্ডিয়া’র প্রভাবে আধুনিক বন্দর ও শক্তিশালী সামুদ্রিক অর্থনীতি: প্রধানমন্ত্রী মোদির প্রশংসা সোনোওয়ালের নিবন্ধে

নয়াদিল্লি, ২৩ অক্টোবর :

প্রধানমন্ত্রী দফতর (পিএমও) বৃহস্পতিবার কেন্দ্রীয় বন্দর, জাহাজ চলাচল ও জলপথ মন্ত্রী সর্বানন্দ সোনোওয়ালের একটি নিবন্ধ শেয়ার করে জানিয়েছে যে, ‘মেক ইন ইন্ডিয়া’-র উদ্যোগের পাশাপাশি ব্যস্ত পূর্ব-পশ্চিম বাণিজ্য রুটে বন্দরগুলির আধুনিকীকরণ ও প্রযুক্তিগত উন্নয়ন দেশের জন্য উল্লেখযোগ্য সুফল বয়ে আনছে।

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি নিজেও সামাজিক মাধ্যম এক্স (X)-এ কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সোনোওয়ালের পোস্ট রিপোস্ট করে লিখেছেন, “কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সর্বানন্দ সোনোওয়ালের এই অবশ্যপাঠ্য নিবন্ধে ব্যাখ্যা করা হয়েছে কীভাবে ‘মেক ইন ইন্ডিয়া’-র মাধ্যমে শক্তিশালী শিল্পভিত্তি তৈরি করে, ব্যস্ত পূর্ব-পশ্চিম বাণিজ্য রুটে বন্দরগুলির আধুনিকীকরণ, যান্ত্রিকীকরণ ও ডিজিটালাইজেশনের প্রচেষ্টা দেশকে গুরুত্বপূর্ণ সুবিধা দিয়েছে।”

প্রধানমন্ত্রী আরও উল্লেখ করেছেন যে, এই নিবন্ধে মন্ত্রী সোনোওয়াল বিস্তারিতভাবে ব্যাখ্যা করেছেন — ভারতের জাহাজ নির্মাণ ও সামুদ্রিক ইকোসিস্টেমকে পুনরুজ্জীবিত করার জন্য সরকার ঘোষিত ৮ বিলিয়ন ডলারের প্যাকেজ কোনো সাধারণ বাজেট নয়, বরং এটি দেশের দূরদৃষ্টিসম্পন্ন নীতি ও উচ্চাকাঙ্ক্ষার প্রতীক।

কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সোনোওয়াল নিজের এক্স হ্যান্ডলে নিবন্ধের লিংক শেয়ার করে লিখেছেন, “এই নিবন্ধে আমি ব্যাখ্যা করেছি কীভাবে ভারত গ্রিন শিপিং বা পরিবেশবান্ধব জাহাজ চলাচলের বৈশ্বিক পরিবর্তনের নেতৃত্ব দিতে পারে।”

নিজের এই সংবাদপত্রের নিবন্ধে তিনি লিখেছেন, “শক্তি পরিবর্তনের ক্ষেত্রে একসময় পিছিয়ে থাকা শিপিং ইন্ডাস্ট্রি এখন পরিবর্তনের এক সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে। জলবায়ু কার্যক্রমে কার্বন নিঃসরণ মানদণ্ড কঠোর করার বৈশ্বিক উদ্যোগ দ্রুততর হচ্ছে। পাশাপাশি, বিনিয়োগকারীরাও জিরো-কার্বন জাহাজ ও বিকল্প জ্বালানির দিকে মূলধন সরিয়ে দিচ্ছেন, এবং প্রযুক্তিও দ্রুত অগ্রসর হচ্ছে।”

মন্ত্রী সোনোওয়ালের মতে, এই পরিবর্তনের সময়কালে ভারত সুযোগ ও সক্ষমতার এক বিরল সংমিশ্রণে দাঁড়িয়ে আছে। তিনি উল্লেখ করেছেন, প্রধানমন্ত্রী মোদির নেতৃত্বে দেশ নবায়নযোগ্য জ্বালানির একটি শক্তিশালী ভিত্তি গড়ে তুলেছে, যার ফলে আজ ভারত বিশ্বের অন্যতম স্বল্প ব্যয়বহুল রিনিউএবল এনার্জি উৎপাদনকারী দেশ হিসেবে পরিচিত।

সোনোওয়াল আরও বলেন, সরকারের অনুমোদিত ৬৯,৭২৫ কোটি টাকার (৮ বিলিয়ন ডলার) প্যাকেজ শুধু বাজেট নয়, বরং একটি দূরদৃষ্টিসম্পন্ন বার্তা — যে ভারত, কম-কার্বন নির্গমন ভিত্তিক শিপিং ব্যবস্থার দিকে বিশ্বের চলমান পরিবর্তনে অগ্রণী ভূমিকা পালন করবে।
______