কলকাতা, ৯ সেপ্টেম্বর (হি.স.): “অনেক ক্লাব অনুদান নেওয়ার জন্য আবেদন করেছে। যারা টাকা নিতে চান না, ভালো, নেবেন না। আমরা সেই টাকা অন্যদের দেব।” সোমবার এনিয়ে কড়া অবস্থান নিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
আর জি কর আবহে দুর্গাপুজোয় সরকারি অনুদান নিয়ে দ্বিধাবিভক্ত রাজ্যের পুজো উদ্যোক্তারা। অনেকে প্রতিবাদ স্বরূপ অনুদান প্রত্যাখ্যান করছেন। কেউ আবার দুটি বিষয়কে একনজরে দেখতে নারাজ। সোমবার নবান্নে পর্যালোচনা বৈঠকে তিনি জানান, পুজোয় অনুদান দিতে রাজ্য সরকারের মোট ৪৫০০ কোটি টাকা খরচ হচ্ছে।
দুর্গাপুজোর আর একমাস বাকি। কিন্তু এবার উৎসবের আবহ একটু অন্য। মিশে রয়েছে আর জি করে তরুণী চিকিৎসকের ধর্ষণ-হত্যাকাণ্ডের মতো নারকীয় ঘটনা। তার দ্রুত সুবিচারের দাবিতে অনেকেই পুজোয় আড়ম্বর কমানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে। তারা সরকারি অনুদানের ৮৫ হাজার টাকা নিতে নারাজ।
এনিয়ে সোমবার নবান্নে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ”যারা টাকা নেবেন না, ঠিক আছে। তাদের নিশ্চয়ই সামর্থ্য আছে। সেই টাকা আমরা অন্য পুজো কমিটিকে দেব। অনেকেই তো অনুদান নিতে চেয়ে আবেদন করেছে। জানি না, কতজনকে দিতে পারব। এমনিতে আমাদের এই বাবদ ৪৫০০ কোটি টাকা খরচ হচ্ছে। মঙ্গলবার থেকে এই টাকাটা দেওয়া শুরু হবে।”
প্রতি বছরই পুজোর সময় বিদ্যুৎ ব্যবহারে ছাড় দেয় রাজ্য সরকার। এবছরও তার ব্যতিক্রম হচ্ছে না। সেইসঙ্গে আরও বিশেষ ছাড়ের কথা বলেছহন মুখ্যমন্ত্রী। যেসব পুজো উদ্যোক্তা সরকারের সামাজিক প্রকল্পগুলি তুলে ধরবেন, তাঁরা কিছু সুবিধা পাবেন বলে এদিন নবান্নে জানান মুখ্যমন্ত্রী। তবে তা সরাসরি আর্থিক সুবিধা নয়।
দুর্গাপুজোর মতো বড় আয়োজনে নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়েও সতর্ক করেন মুখ্যমন্ত্রী। এ বিষয়ে রাজ্যের মুখ্যসচিব মনোজ পন্থকে তাঁর বার্তা, জনগণের যাতে অসুবিধা না হয়, মণ্ডপগুলিতে যাতে সুরক্ষাবিধি মানা হয়, সেসব দিকে নজর রাখতে হবে।



















