আগরতলা, ৮ সেপ্টেম্বর: বিদ্যুতের বর্ধিত মাশুল প্রত্যাহার এবং স্মার্ট মিটার বন্ধের দাবিতে ত্রিপুরা ইলেকট্রিসিটি কনজিউমার্স অ্যাসোসিয়েশন সরব হয়েছে। আজ সংগঠনের পক্ষ থেকে একটি প্রতিনিধি দল বিদ্যুৎ নিয়ন্ত্রক কমিশনের দপ্তরে গিয়ে কমিশনের সদস্যের হাতে ডেপুটেশন তুলে দেন।
সংগঠনের প্রতিনিধিরা জানান, বর্তমানে কমিশনের চেয়ারম্যান উপস্থিত না থাকলেও দায়িত্বপ্রাপ্ত সদস্যের কাছে তাঁদের দাবিগুলি তুলে ধরা হয়েছে। তাঁদের মূল দাবি, সরকার যেহেতু বর্ধিত বিদ্যুৎ মাশুলের ১০০ শতাংশ ভর্তুকি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে, তাই গ্রাহকদের বিদ্যুৎ বিলে ওই বর্ধিত মাশুল আর রাখা যাবে না।
তাঁদের দাবি, বর্ধিত মাশুলের টাকা সরকার সরাসরি ত্রিপুরা স্টেট ইলেকট্রিসিটি কর্পোরেশন লিমিটেডের মাধ্যমে মিটিয়ে দিক। এর ফলে গ্রাহকদের বিদ্যুৎ বিলে বর্ধিত মাশুল দেখানোর প্রয়োজন হবে না এবং সাধারণ মানুষও স্বস্তি পাবেন। পাশাপাশি স্মার্ট মিটার জোর করে বসানো বন্ধ করার দাবিও জানিয়েছে সংগঠনটি। তাদের বক্তব্য, গ্রাহকদের ইচ্ছার ভিত্তিতে প্রিপেইড অথবা পোস্টপেইড মিটার বেছে নেওয়ার সুযোগ দিতে হবে। নতুন বিদ্যুৎ সংযোগের ক্ষেত্রে শুধুমাত্র প্রিপেইড মিটার বাধ্যতামূলক করার জন্য টিএসইসিএল-এর পক্ষ থেকে যে বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়েছে, তারও বিরোধিতা করেছে সংগঠনটি।
সংগঠনের প্রতিনিধিদের বক্তব্য, বিদ্যুৎ নিয়ন্ত্রক কমিশনই বিদ্যুৎ সংক্রান্ত নীতি নির্ধারণের গুরুত্বপূর্ণ কর্তৃপক্ষ। তাই কমিশনের সদস্য তথা চেয়ারপার্সনের কাছে স্মারকলিপির মাধ্যমে মোট সাত দফা দাবি জানানো হয়েছে।
গ্রাহকদের স্বার্থে বর্ধিত মাশুল প্রত্যাহার, মিটার ব্যবস্থায় গ্রাহকদের পছন্দের স্বাধীনতা এবং জোরপূর্বক স্মার্ট মিটার বসানো বন্ধের মতো দাবিগুলি দ্রুত কার্যকর করার জন্য কমিশনের হস্তক্ষেপ দাবি করেছে ত্রিপুরা ইলেকট্রিসিটি কনজিউমার্স অ্যাসোসিয়েশন।
























