হায়দরাবাদ, ২২ জুলাই (আইএএনএস): নীট প্রশ্নফাঁস ইস্যু এবং দিল্লিতে বিরোধী নেতাদের বিক্ষোভ ঘিরে রাজনৈতিক সংঘাতের আবহে বুধবার হায়দরাবাদে বিজেপি ও কংগ্রেস কর্মীদের মধ্যে তীব্র সংঘর্ষের ঘটনা ঘটল। লাঠি ও পাথর ছোড়াছুড়িতে উভয় পক্ষের কয়েকজন কর্মী এবং এক মহিলা পুলিশকর্মী আহত হন।
মঙ্গলবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সরকারি বাসভবনের সামনে লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী-সহ কংগ্রেস ও সমাজবাদী পার্টির নেতাদের বিক্ষোভ এবং পরে তাঁদের আটক করার ঘটনার প্রতিবাদে কংগ্রেস বিজেপির রাজ্য দফতরের সামনে বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করে। অন্যদিকে, বিজেপি রাহুল গান্ধীর বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তা ভঙ্গের অভিযোগ তুলে প্রতিবাদ মিছিলের আয়োজন করে।
তেলেঙ্গানা বিজেপির সদর দফতর এবং নিকটবর্তী কংগ্রেসের গান্ধী ভবন এলাকায় ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। বিজেপি কর্মীরা গান্ধী ভবনের দিকে মিছিল করে কংগ্রেসের একাধিক ফ্লেক্স ভাঙচুর করেন বলে অভিযোগ। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ তেলেঙ্গানা বিজেপির সভাপতি এন. রামচন্দর রাও-সহ একাধিক নেতাকে আটক করে গোষামহল থানায় নিয়ে যায়।
এরপর এমএলসি বালমোরি ভেঙ্কটের নেতৃত্বে কংগ্রেস ও এনএসইউআই কর্মীরা বিজেপি দফতর ঘেরাওয়ের চেষ্টা করেন। তাঁরা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের বিরুদ্ধে স্লোগান দেন। সেই সময় দুই পক্ষের কর্মীরা মুখোমুখি হয়ে পড়লে সংঘর্ষ বেঁধে যায়।
পুলিশ জানিয়েছে, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে বিক্ষোভকারীদের আটক করা হয়। সংঘর্ষ এবং পাল্টা বিক্ষোভের জেরে নামপল্লি, মোয়াজ্জম জাহি মার্কেট-সহ সংলগ্ন ব্যস্ত এলাকায় দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়।
এদিকে, করিমনগরেও কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বন্দি সঞ্জয়ের দফতরের সামনে কংগ্রেসের বিক্ষোভকে কেন্দ্র করে বিজেপি ও কংগ্রেস কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ লাঠিচার্জ করে।
বিজেপির অভিযোগ, কংগ্রেস কর্মীরা লাঠি নিয়ে তাঁদের ওপর হামলা চালায়। পাল্টা বিজেপি কর্মীরাও প্রতিরোধ গড়ে তোলেন। ঘটনায় উত্তেজনা ছড়ালেও পরে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে।
–আইএএনএস



















