নয়াদিল্লি, ২৫ জুন (আইএএনএস): বর্ষাকালে আবহাওয়া-জনিত বিঘ্ন কমাতে এবং জাতীয় সড়কে নির্বিঘ্ন যোগাযোগ বজায় রাখতে সর্বাত্মক প্রস্তুতি নেওয়ার নির্দেশ দিলেন কেন্দ্রীয় সড়ক পরিবহণ ও মহাসড়ক মন্ত্রী নিতিন গাডকারি।
বৃহস্পতিবার সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক মন্ত্রণালয়-এর এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, তেলঙ্গানায় ৪,৯৩১ কিলোমিটার, জম্মু ও কাশ্মীর কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে ২,০৩৫ কিলোমিটার এবং লাদাখে ৮০৪ কিলোমিটার জাতীয় সড়ক প্রকল্পের অগ্রগতি, রক্ষণাবেক্ষণ ও গুণমান পর্যালোচনার জন্য পৃথক বৈঠক করেন গড়করি।
মন্ত্রক জানিয়েছে, সংবাদমাধ্যম, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এবং বিভিন্ন সরকারি আধিকারিক, ভারতের জাতীয় মহাসড়ক কর্তৃপক্ষ (এনএইচএআই), জাতীয় মহাসড়ক ও অবকাঠামো উন্নয়ন কর্পোরেশন লিমিটেড (এনএইচআইডিসিএল) ও প্রকল্প বাস্তবায়নকারী সংস্থাগুলির কাছ থেকে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে এই পর্যালোচনা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
বৈঠকে চলমান প্রকল্পগুলির অগ্রগতি, রক্ষণাবেক্ষণ কার্যক্রম এবং নিরাপদ, কার্যকর ও দীর্ঘস্থায়ী সড়ক অবকাঠামো নির্মাণের জন্য গৃহীত পদক্ষেপগুলি খতিয়ে দেখেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী।
গড়করি প্রকল্প বাস্তবায়নের গতি বাড়ানোর পাশাপাশি সর্বোচ্চ মান বজায় রাখা এবং জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার ওপর জোর দেন।
তিনি সংশ্লিষ্ট আধিকারিক ও প্রকল্প বাস্তবায়নকারী সংস্থাগুলিকে পর্যবেক্ষণ ব্যবস্থা আরও শক্তিশালী করা, নির্ধারিত সময়ে কাজ সম্পূর্ণ করা এবং উন্নত নির্মাণ প্রযুক্তি ও আধুনিক পদ্ধতি গ্রহণের নির্দেশ দেন। এর ফলে সড়কের স্থায়িত্ব, যাত্রীদের যাতায়াতের স্বাচ্ছন্দ্য এবং দীর্ঘমেয়াদি কর্মক্ষমতা বৃদ্ধি পাবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
বর্ষাকালীন প্রস্তুতির গুরুত্ব তুলে ধরে গড়করি বলেন, কার্যকর নিকাশি ব্যবস্থা, পাহাড়ি ঢাল স্থিতিশীল করার কাজ এবং সুরক্ষামূলক অবকাঠামো গড়ে তুলতে হবে। পাশাপাশি আবহাওয়া-জনিত জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলার জন্য দ্রুত প্রতিক্রিয়াশীল ব্যবস্থা (র্যাপিড রেসপন্স সিস্টেম) গড়ে তোলার নির্দেশও দেন তিনি।
তাঁর মতে, এই পদক্ষেপগুলি জাতীয় সড়ক নেটওয়ার্কে নিরবচ্ছিন্ন যোগাযোগ, সড়ক নিরাপত্তা এবং অবকাঠামোর স্থিতিস্থাপকতা নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।
মন্ত্রী আরও বলেন, উন্নত ও সুষ্ঠুভাবে রক্ষণাবেক্ষিত সড়ক অবকাঠামো আঞ্চলিক সংযোগ বৃদ্ধি, অর্থনৈতিক উন্নয়ন, পর্যটনের প্রসার এবং সাধারণ যাত্রীদের সুবিধা বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখে।
গড়করি জোর দিয়ে বলেন, সময়মতো প্রকল্প সম্পন্ন করা, গুণগত মান বজায় রাখা এবং আধুনিক প্রকৌশল প্রযুক্তির ব্যবহারই সড়ক অবকাঠামো খাতের প্রধান অগ্রাধিকার হওয়া উচিত।
_______


















