আগরতলা, ৩ জুন: বগাফা ফরেস্ট রেঞ্জ অফিস সংলগ্ন এলাকায় বনদপ্তরের জমি থেকে অবৈধভাবে মাটি কেটে বিক্রি করার অভিযোগকে কেন্দ্র করে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়দের দাবি, বনদপ্তরের জমিতে থাকা গাছপালা ক্ষতিগ্রস্ত করে কিছু ব্যক্তি দীর্ঘদিন ধরে মাটি কেটে নিয়ে ব্যবসা পরিচালনা করছেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, এর আগেও বগাফা বনদপ্তরের অধীন কলসী দাগাইছড়া এলাকায় বনভূমি থেকে মাটি বিক্রির অভিযোগ উঠেছিল। বর্তমানে একই ধরনের কার্যকলাপ বগাফা ফরেস্ট রেঞ্জ অফিস সংলগ্ন এলাকাতেও দেখা যাচ্ছে বলে অভিযোগ।
এলাকাবাসীর একাংশের অভিযোগ, বনদপ্তরের জমিতে বিভিন্ন স্থাপনা ও দোকানপাট নির্মাণ হলেও সংশ্লিষ্ট দপ্তরের পক্ষ থেকে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়নি। শান্তিরবাজার জেলা হাসপাতালের সামনে ‘সেন মেডিক্যাল হল’ নামে একটি ওষুধের দোকান বনদপ্তরের জমিতে গড়ে উঠেছে বলেও অভিযোগ উঠেছে। এছাড়াও বনদপ্তরের জমিতে পুর পরিষদের উদ্যোগে স্টল নির্মাণ করা হয়েছে বলে দাবি স্থানীয়দের।
অতীতে বনদপ্তরের কিছু কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অবৈধ বালু উত্তোলন ও বনজ সম্পদ ধ্বংসে জড়িত ব্যক্তিদের সঙ্গে যোগসাজশের অভিযোগ উঠেছিল বলেও এলাকাবাসী উল্লেখ করেছেন। যদিও এসব অভিযোগের বিষয়ে বনদপ্তরের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।
বর্তমানে বগাফা ফরেস্ট রেঞ্জ অফিস সংলগ্ন এলাকা এবং কলসী দাগাইছড়ায় প্রকাশ্যে মাটি কাটার ঘটনাকে কেন্দ্র করে নানা প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, মাটি বহনকারী ভারী যানবাহনের কারণে থানা সংলগ্ন সড়কের বিভিন্ন অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। ফলে সাধারণ মানুষের চলাচলে সমস্যার সৃষ্টি হচ্ছে এবং বর্ষাকালে দুর্ভোগ আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন তারা।
এলাকাবাসীর দাবি, বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে তদন্ত করে প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট দপ্তর যেন দ্রুত প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করে এবং বনদপ্তরের জমিতে যেকোনো ধরনের অবৈধ কার্যকলাপ বন্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নেয়।



















