নয়াদিল্লি, ২৬ এপ্রিল (আইএএনএস): প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী-র মাসিক রেডিও অনুষ্ঠান মন কি বাত-এর ১৩৩তম পর্ব রবিবার দেশজুড়ে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে। সাধারণ নাগরিকদের পাশাপাশি বিভিন্ন রাজ্যে বিজেপি নেতারাও এই অনুষ্ঠানে অংশ নেন।
কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান ওডিশার অঙ্গুল জেলার তাঁর পৈতৃক গ্রাম নালামে দলীয় কর্মী ও স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে বসে অনুষ্ঠানটি শোনেন। এই আয়োজন তৃণমূল স্তরে প্রধানমন্ত্রীর বার্তা পৌঁছে দেওয়ার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেয়।
পশ্চিমবঙ্গে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জে. পি. নাড্ডা বর্ধমানের দলীয় কার্যালয়ে ‘মন কি বাত’ শোনেন। একইসঙ্গে প্রবীণ বিজেপি নেত্রী স্মৃতি ইরানি এবং দলের মুখপাত্র প্রদীপ ভান্ডারি-ও কর্মীদের সঙ্গে এই অনুষ্ঠান শুনতে অংশ নেন।
উত্তরাখণ্ডে মুখ্যমন্ত্রী পুষ্কর সিং ধামি অনুষ্ঠানটি শোনেন। ছত্তীসগড়ে মুখ্যমন্ত্রী বিষ্ণু দেও সাই ভাটা গাঁওয়ে একটি জনসমাগমে অংশ নিয়ে অনুষ্ঠানটি শোনেন, যেখানে বিধানসভার স্পিকার রমন সিং এবং মন্ত্রী কেদার কাশ্যপ উপস্থিত ছিলেন।
উত্তরপ্রদেশে উপমুখ্যমন্ত্রী কেশব প্রসাদ মৌর্য-ও দলীয় কর্মীদের সঙ্গে এই পর্বে অংশ নেন, যা বিভিন্ন অঞ্চলে রাজনৈতিক নেতাদের সক্রিয় অংশগ্রহণকে তুলে ধরে।
এই পর্বে প্রধানমন্ত্রী দেশের আসন্ন জনগণনার গুরুত্বের উপর বিশেষ জোর দেন। তিনি বলেন, ২০২৭ সালের আদমশুমারি দেশের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং প্রত্যেক নাগরিকের এতে অংশগ্রহণ করা উচিত। “জাতীয় জনগণনা শুধু সরকারের কাজ নয়, এটি আমাদের সকলের দায়িত্ব,”—এই বার্তাও দেন তিনি।
প্রধানমন্ত্রী আরও জানান, ২০২৭ সালের জনগণনা প্রথমবারের মতো সম্পূর্ণ ডিজিটাল পদ্ধতিতে হবে। এটি দেশের ১৬তম দশবার্ষিক জনগণনা এবং স্বাধীনতার পর অষ্টম। কোভিড-১৯ মহামারির কারণে ২০২১ সালের নির্ধারিত সময়সূচি পিছিয়ে দেওয়া হয়েছিল।
রবিবারের এই পর্ব আবারও প্রমাণ করল, ‘মন কি বাত’ শুধু একটি রেডিও অনুষ্ঠান নয়, বরং এটি দেশজুড়ে জনসংযোগ ও জনসম্পৃক্ততার একটি গুরুত্বপূর্ণ প্ল্যাটফর্মে পরিণত হয়েছে।



















