News Flash

  • Home
  • বিদেশ
  • ডোনাল্ড ট্রাম্পের ইউ-টার্ন: খাদ্য আমদানিতে শুল্ক কমানোর সিদ্ধান্ত, ভারতের জন্য সুযোগ
Image

ডোনাল্ড ট্রাম্পের ইউ-টার্ন: খাদ্য আমদানিতে শুল্ক কমানোর সিদ্ধান্ত, ভারতের জন্য সুযোগ

ওয়াশিংটন, ১৫ নভেম্বর : ট্যারিফ বোমা ফাটিয়ে বিশ্বের বাণিজ্যে উত্তেজনা সৃষ্টি করা মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এখন একটি বড় ইউ-টার্ন নিয়েছেন। সম্প্রতি, তিনি খাদ্য আমদানি শুল্কে ছাঁটাইয়ের ঘোষণা দিয়েছেন, যা ভারতের জন্য কিছু সুবিধা নিয়ে আসতে পারে।

ট্রাম্পের এই সিদ্ধান্ত মূলত মার্কিন অর্থনীতিতে মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ এবং সাধারণ মানুষের জন্য কিছুটা স্বস্তি প্রদানের লক্ষ্য নিয়ে নেওয়া হয়েছে। শুক্রবার হোয়াইট হাউস এক ঘোষণায় জানিয়েছে, কিছু উষ্ণ অঞ্চলের ফলমূল, রস, চা এবং মসলা আমদানিতে আর পারস্পরিক শুল্ক আরোপ করা হবে না।

এই সিদ্ধান্ত ভারতের জন্য একটি ইতিবাচক পরিবর্তন হতে পারে। হোয়াইট হাউসের ফ্যাক্টশিটে যেমন উল্লেখ করা হয়েছে, এর মধ্যে কফি, চা, কোকো, কমলা, টমেটো এবং গরুর মাংসও রয়েছে। উল্লেখযোগ্য যে, ট্রাম্প ভারত থেকে আমদানির ওপর ২৫ শতাংশ শুল্ক আরোপ করেছিলেন। এছাড়া, রাশিয়া থেকে তেল আমদানির ওপরও ২৫ শতাংশ শুল্ক আরোপ করা হয়েছিল।

পূর্বে, ট্রাম্প মহামূল্যবান জেনেরিক ওষুধের আমদানির ওপর শুল্ক প্রত্যাহার করেছিলেন, যা ভারতের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ছিল। ভারত মার্কিন বাজারে ৪৭ শতাংশ জেনেরিক ওষুধ সরবরাহ করে। এই পদক্ষেপ ভারতকে বহু কোটি ডলার লাভের সুযোগ দিয়েছে।

খাদ্যপণ্যের দাম বৃদ্ধির পেছনে এক বড় কারণ ছিল উচ্চ শুল্ক, যা আমদানিকারক এবং খুচরা বিক্রেতাদের মাধ্যমে সাধারণ মানুষের ওপর চাপ সৃষ্টি করেছে। সম্প্রতি, নিউ ইয়র্ক, নিউ জার্সি এবং ভার্জিনিয়ার নির্বাচনগুলোতে ডেমোক্র্যাটরা মহামূল্যাশ্রিত খাদ্যপণ্যের দাম এবং মূল্যস্ফীতির বিষয়টিকে তাদের নির্বাচনী প্রচারণার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু হিসেবে তুলে ধরেছে। ডেমোক্র্যাটরা খাদ্যপণ্যের দাম কমানোর প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল, যা ভোটারদের মাঝে ব্যাপক সমর্থন পেয়েছিল।

মার্কিন নির্বাচনে মূল্যস্ফীতি এখন একটি বড় রাজনৈতিক ইস্যু হয়ে দাঁড়িয়েছে, এবং এর প্রভাব সরাসরি ভারতের খাদ্যপণ্যের রফতানিতে পড়তে পারে। বিশেষ করে, আম, আনার এবং চায়ের রফতানি বৃদ্ধি পেতে পারে, যা ভারতের কৃষক ও রফতানি খাতকে লাভবান করবে।

মার্কিন ভোক্তা মূল্য সূচকের তথ্য অনুযায়ী, সেপ্টেম্বর মাসে কফির দাম ১৮.৯ শতাংশ এবং গরুর মাংস ও বীফের দাম ১৪.৭ শতাংশ বেড়েছে। একই সঙ্গে, ভারত থেকে আমদানি করা মসলা এবং খাদ্যপণ্যের দাম দেশীয় কিরানা দোকানে প্রায় ৩০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে।

এই পরিস্থিতিতে, ট্রাম্পের নতুন সিদ্ধান্তের ফলে ভারতীয় পণ্যের দাম কিছুটা স্থিতিশীল হতে পারে, যা উভয় দেশের বাণিজ্যে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে।

Releated Posts

আর্থিক লেনদেন বিতর্কে নেপালের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ইস্তফা

কাঠমান্ডু, ২২ এপ্রিল (আইএএনএস): আর্থিক লেনদেন সংক্রান্ত বিতর্কের জেরে নেপালের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সুদান গুরুং পদত্যাগ করলেন। বুধবার সামাজিক মাধ্যমে…

ByByNews Desk Apr 22, 2026

ব্যঙ্গচিত্র পোস্টে গ্রেফতার, উদ্বেগ মানবাধিকার সংগঠনের

বার্লিন, ২২ এপ্রিল (আইএএনএস): সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি ব্যঙ্গচিত্র শেয়ার করার অভিযোগে বাংলাদেশে এক ব্যক্তির গ্রেফতারিকে ঘিরে গভীর উদ্বেগ…

ByByNews Desk Apr 22, 2026

জার্মানিতে ভারতীয় প্রবাসীদের সঙ্গে বৈঠকে রাজনাথ, তুলে ধরলেন ভারতের দ্রুত অর্থনৈতিক অগ্রগতি

বার্লিন, ২২ এপ্রিল (আইএএনএস): জার্মানির বার্লিনে ভারতীয় প্রবাসীদের সঙ্গে বৈঠক করে প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং তাঁদের দুই দেশের মধ্যে…

ByByNews Desk Apr 22, 2026

জার্মানির গুরদোয়ারায় ভোট ঘিরে সংঘর্ষ, আহত অন্তত ১১

বার্লিন, ২১ এপ্রিল (আইএএনএস): জার্মানির মোয়ের্স শহরের ডুইসবুর্গ এলাকায় একটি গুরদোয়ারার ভিতরে হিংসাত্মক সংঘর্ষে অন্তত ১১ জন আহত…

ByByNews Desk Apr 21, 2026

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Scroll to Top