পাকিস্তানকে নতুন আমরম সরবরাহ নয়, শুধুমাত্র রক্ষণাবেক্ষণ চুক্তি: জানাল যুক্তরাষ্ট্র

নয়াদিল্লি, ১০ অক্টোবর: পাকিস্তানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের সাম্প্রতিক প্রতিরক্ষা চুক্তি সংশোধন নিয়ে চলমান বিভ্রান্তির প্রেক্ষিতে, ভারতের মার্কিন দূতাবাস একটি স্পষ্টীকরণ বিবৃতি জারি করেছে। এতে বলা হয়েছে, সংশোধিত ফরসাইন মিলিটারি সেলস (এফএমএস) চুক্তির আওতায় নতুন আমরম (অ্যাডভান্সড মিডিয়াম-রেঞ্জ এয়ার-টু-এয়ার মিসাইল) সরবরাহের কোনো পরিকল্পনা নেই।

বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ভুল ও বিভ্রান্তিকর সংবাদ প্রতিবেদন সত্ত্বেও, এই চুক্তি সংশোধনের কোনো অংশই পাকিস্তানকে নতুন আমরম সরবরাহের জন্য নয়। এটি শুধুমাত্র পূর্বে সরবরাহকৃত অস্ত্রের রক্ষণাবেক্ষণ, খুচরো যন্ত্রাংশ ও লজিস্টিক সহায়তা প্রদান সংক্রান্ত।

গত ৩০ সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা বিভাগ একটি রুটিন চুক্তি সংশোধনের ঘোষণা** দেয়, যাতে কয়েকটি দেশের জন্য আমরম মিসাইলের রক্ষণাবেক্ষণ ও খুচরা যন্ত্রাংশ সরবরাহের কথা উল্লেখ ছিল। এই তালিকায় পাকিস্তানের নাম থাকায় একাধিক আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমে দাবি ওঠে যে, ইসলামাবাদকে নতুন মিসাইল সরবরাহ করা হচ্ছে।

কিন্তু ইউএস এম্বাসি স্পষ্ট করে জানিয়ে দেয়, “এই রক্ষণাবেক্ষণ চুক্তির আওতায় পাকিস্তানের বর্তমান সামরিক সক্ষমতায় কোনো রকম উন্নয়ন বা আধুনিকীকরণ হচ্ছে না। এটি শুধুমাত্র তাদের বিদ্যমান অস্ত্রভাণ্ডারের রুটিন রক্ষণাবেক্ষণের বিষয়।”

বিশ্বস্ত সূত্রে জানা গেছে, সংশোধিত চুক্তি মূলত রেথিয়ন প্রকল্পএর আওতাধীন এই প্রকল্পের আওতায় একাধিক দেশ রয়েছে এবং পাকিস্তানের অন্তর্ভুক্তি ঘিরেই জল্পনা তৈরি হয়েছিল।এই ঘটনায় দক্ষিণ এশিয়ার ভূরাজনৈতিক পরিমণ্ডলে নতুন করে উত্তেজনা ছড়িয়েছে। কারণ, মার্কিন-চীন প্রতিদ্বন্দ্বিতার পাশাপাশি **ভারত-পাকিস্তান সম্পর্কের প্রেক্ষাপটেও ওয়াশিংটনের ইসলামাবাদ সম্পর্ক নিয়ে নজরদারি চলছে।

তবে মার্কিন প্রশাসনের এই স্পষ্ট বার্তায় বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে যে, এটি কোনো নতুন অস্ত্র সরবরাহের সিদ্ধান্ত নয়**, বরং পুরনো অস্ত্র ব্যবস্থার কার্যকারিতা বজায় রাখার একটি রুটিন পদক্ষেপ।