আগরতলা, ৬ জুন: কৃষ্ণপুর বিধানসভা কেন্দ্রের বিজেপির স্ব-দলীয় গোষ্ঠী কোন্দল এবার ভয়াবহ রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে রূপ নিল।
লোকসভা নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণা হতেই কৃষ্ণপুর বিধানসভা এলাকার বিভিন্ন প্রান্ত স্ব-দলীয় হিংসার আগুন দাউদাউ করে জ্বলছে। পরিস্থিতি প্রতিনিয়ত যেভাবে বেগতিক হচ্ছে তাতে একাংশ রাজনৈতিক পর্যবেক্ষক মহলের ধারণা, কৃষ্ণপুরে বিজেপির স্ব-দলীয় এই রক্তক্ষয়ী সংঘাতের ফলে যেকোনো সময় লাশ পড়ার আশঙ্কা রয়েছে।
উল্লেখ্য, বৃহস্পতিবার রাতে ২৯ কৃষ্ণপুর বিধানসভা কেন্দ্রের একাধিক জায়গায় সংঘটিত ঘটনাগুলো নিশ্চিতভাবে একদিকে যেমন গোটা এলাকার পরিস্থিতিকে উত্তপ্ত করে তুলছে।
জানা গিয়েছে, বৃহস্পতিবার কৃষ্ণপুর বিধানসভা কেন্দ্রের অন্তর্গত তেলিয়ামুড়া থানা এলাকার গোলাবাড়ি এলাকাতে ওই এলাকার বিজেপি দলের জনৈক কর্মী বাপন দাসের উপর আক্রমণের ঘটনা সংঘটিত হয়েছে। শুধু তাই নয়, বাপনকে আক্রমণ করার পাশাপাশি তার বাইক ভেঙ্গে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয় বলেও অভিযোগ। সাথে সাথে বাপন তেলিয়ামুড়া থানার দারস্থ হয়েছে।
এ বিষয়ে বাপন দাস ওই ঘটনার পেছনে কৃষ্ণপুর মন্ডলের যুব মোর্চার সভাপতি নির্মল দেবনাথ, বিজেপি দলের খোয়াই জেলা কমিটির সম্পাদক বিজন কর সহ আরও অনেকের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলেছেন।
ওই ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই কৃষ্ণপুর বিধানসভা এলাকার গোলাবাড়ি এলাকাতেই বিজেপির বুথ সভাপতি মানিক ঘোষের বাড়িতে রাত্রি আনুমানিক দেড়টা থেকে দুইটা নাগাদ সঙ্ঘবদ্ধভাবে আক্রমণের ঘটনা সংঘটিত হয়।
এ বিষয়ে কৃষ্ণপুর বিধানসভা কেন্দ্রের বিজেপির ১৫ নং বুথের বুথ সভাপতি মানিক ঘোষের অভিযোগ, তাঁর বাড়িতে যারা আক্রমণ করেছে তাদের মধ্যে এলাকারই বিজেপি দলের সৌরভ দাস যুক্ত রয়েছে। এলাকাবাসী সৌরভের স্বীকারোক্তিমূলে তাকে আটক করে তেলিয়ামুড়া থানার পুলিশের হাতে তুলে দিয়েছেন।
বুথ সভাপতি নিজেও দাবি করেছেন, তার বাড়িতে আক্রমণের ঘটনার পেছনে কোনভাবেই অন্য কোন দলের কর্মী সমর্থকরা জড়িত নয়, নিজ দলের একাংশই যে এই ঘটনা ঘটিয়েছে তা তিনি নিশ্চিত। তবে কি কারণে এই ঘটনা ঘটছে তা তিনি বুঝতে পারছেন না।



















