আগরতলা, ৪ আগস্ট: কর্মচারীদের দীর্ঘদিনের বিভিন্ন দাবি-দাওয়া বাস্তবায়নের দাবিতে সরব হয়েছে ত্রিপুরা গ্রামীণ ব্যাংক অফিসার্স ফেডারেশন এবং ত্রিপুরা গ্রামীণ ব্যাংক এমপ্লয়িজ ফেডারেশন। আজ আগরতলায় ত্রিপুরা গ্রামীণ ব্যাংকের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত এক সাংবাদিক সম্মেলনে দুই সংগঠনের পক্ষ থেকে পাঁচ দফা দাবি উত্থাপন করা হয়। একইসঙ্গে আগামী ৮ ও ৯ আগস্ট অনুষ্ঠিতব্য প্রথম যৌথ সম্মেলনের কর্মসূচিও ঘোষণা করা হয়।
সাংবাদিক সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন দুই ফেডারেশনের চেয়ারপার্সন বিপ্লব সাহা, ত্রিপুরা গ্রামীণ ব্যাংক অফিসার্স ফেডারেশনের সভাপতি ডেভিড দেববর্মা ও সাধারণ সম্পাদক তমাল দেবনাথ, ত্রিপুরা গ্রামীণ ব্যাংক এমপ্লয়িজ ফেডারেশনের সভাপতি অন্বেষা দাস এবং সাধারণ সম্পাদক সৌভিক নাগ।
সংগঠনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, আগামী ৮ ও ৯ আগস্ট আগরতলার হোটেল সোনারতরী-তে বিকেল ৫টা থেকে দুই ফেডারেশনের প্রথম যৌথ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে। সম্মেলনের উন্মুক্ত অধিবেশনে ত্রিপুরা গ্রামীণ ব্যাংকের সকল কর্মকর্তা ও কর্মচারীকে অংশগ্রহণের আহ্বান জানানো হয়েছে।
ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক তমাল দেবনাথ জানান, কর্মীদের ন্যায্য অধিকার ও কর্মপরিবেশের উন্নয়নের লক্ষ্যে পাঁচ দফা দাবি সনদ প্রকাশ করা হয়েছে। দাবিগুলি হলো, নবম যৌথ নোট ও দ্বাদশ দ্বিপাক্ষিক চুক্তির আওতায় বকেয়া সকল আর্থিক ও অ-আর্থিক সুবিধা অবিলম্বে কার্যকর করা, স্পনসর ব্যাংকের সমপর্যায়ে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ভাতা, বিশেষ সুযোগ-সুবিধা ও কল্যাণমূলক সুবিধা নিশ্চিত করা। আঞ্চলিক গ্রামীণ ব্যাংক আইনের বিধান অনুযায়ী স্পনসর ব্যাংক থেকে কর্মী ডেপুটেশন বন্ধ করে ত্রিপুরা গ্রামীণ ব্যাংকের স্বতন্ত্র সত্তা বজায় রাখা, ব্যাংকের সব শূন্য অফিস সহায়ক পদে দ্রুত নিয়োগ সম্পন্ন করা, আর্থিক পরিষেবা বিভাগের নির্দেশিকা অনুযায়ী স্বচ্ছ, ন্যায্য ও মানবিক বদলি নীতি প্রণয়ন ও অবিলম্বে কার্যকর করা।
ফেডারেশনের নেতারা বলেন, ত্রিপুরা গ্রামীণ ব্যাংকের কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা দীর্ঘদিন ধরে নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে আসছেন। তাই তাঁদের ন্যায্য দাবিগুলির প্রতি ব্যাংক কর্তৃপক্ষ ইতিবাচক মনোভাব গ্রহণ করবে বলে তারা আশাবাদী।
তাঁরা আরও জানান, গঠনমূলক আলোচনার মাধ্যমে কর্মীদের বিভিন্ন সমস্যার দ্রুত সমাধান এবং দাবি সনদে উল্লিখিত বিষয়গুলির বাস্তবায়নে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করবে ব্যাংক কর্তৃপক্ষ—এমন প্রত্যাশাই দুই ফেডারেশনের।



















