মুর্শিদাবাদ, ১৪ ফেব্রুয়ারি (হি. স.) : মঙ্গলবার ভোটমুখী সাগরদিঘীতে পা রেখে তৃণমূলের অন্তর্দ্বন্দ্বের এক অতীত কাহিনি শোনালেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। তিনি দাবি করেন, ২০১৬ সালে রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচনে ওই কেন্দ্রে তৃণমূল প্রার্থী সুব্রত সাহাকে হারাতে চেয়েছিলেন দলেরই নেতা তথা এ বারের প্রার্থী দেবাশিস বন্দ্যোপাধ্যায়। পরে সুব্রতের দাবি মেনে দেবাশিসকে বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত নেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
সুব্রত এবং দেবাশিসের এই অতীতের আখ্যান শোনানোর পরই সাগরদিঘিবাসীর উদ্দেশে বিরোধী দলনেতার বার্তা, ‘‘সাগরদিঘির মানুষকে বলব, এই দেবাশিস একদিন সুব্রতকে হারাতে চেয়েছিলেন। ওঁকে হারিয়ে প্রমাণ করে দিতে হবে যে, সাগরদিঘির মাটিতে এমন লোকের স্থান নেই।’’
প্রয়াত সুব্রতকে নিয়ে সাগরদিঘির মানুষের যে ‘আবেগ’ রয়েছে, তাতে ঘা দিতেই কি এই কেন্দ্রের প্রাক্তন বিধায়কের সঙ্গে বর্তমান তৃণমূল প্রার্থীর ‘তিক্ত স্মৃতি’ রোমন্থন করে উপনির্বাচনে ফায়দা তোলারই চেষ্টা করলেন শুভেন্দু? এমন প্রশ্নও তৈরি করে দিলেন বিরোধী দলনেতা।
শুভেন্দুবাবুর এই মন্তব্য প্রসঙ্গে পাল্টা মুখ খুলেছেন জঙ্গিপুরের তৃণমূল সাংসদ খলিলুর রহমান। আনন্দবাজার অনলাইনকে তিনি বলেন, ‘‘ওঁর থেকে বড় গদ্দার ভূ-ভারতে নেই। তাই ওঁর কাছ থেকে নীতিবাক্য শুনব না। মানুষ ঠিক করে নিয়েছে, এ বার তৃণমূলই জিতবে।’’

