সন্ত্রাসীদের অত্যাচার থেকে নিজের স্বাধীনতা বাঁচাতে বিজেপিকে ভোট দিন : হিমন্ত বিশ্বশর্মা

আমবাসা (ত্রিপুরা), ৭ ফেব্রুয়ারি (হি স ) ত্রিপুরায় একসময় লাল পার্টির মিছিলে সভায় যোগ না দিলে কোনো কিছুই পাওয়া যেত না। এমনকি অত্যাচারিত হলেও পুলিশ যেত না। কিন্তু এখন সেই অবস্থার পরিবর্তন হয়েছে। সন্ত্রাসীদের অত্যাচার থেকে নিজেদের এই স্বাধীনতা বাঁচাতে বিজেপি কে ভোট দিন। মঙ্গলবার ৪৬ সুরমা কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী স্বপ্না দাস পালের সমর্থনে আয়োজিত বিজয় সংকল্প জনসমাবেশে একথা বলেন অসমের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মা। ।

এদিন ধানসভা কেন্দ্রের মরাছড়া এলাকায় হয় বিজয় সংকল্প জনসমাবেশ। এই সমাবেশে প্রধান বক্তার বক্তব্যে হিমন্ত বিশ্বশর্মা বলেন , “ত্রিপুরায় বামফ্রন্টের শাসনে লাল পার্টির মিছিল বা সভায় না গেলে মানুষ কোনো সুবিধা পেতেন না। এমনকি আক্রান্ত হলে পুলিশ যেত না। রাজ্যে মন্দির মসজিদ এর চেয়ে বেশি ছিল লাল পতাকা লাগানো অফিস। কিন্তু পাঁচ বছরে বিজেপি সরকার এই অবস্থার পরিবর্তন করেছে। ভাতা ২০০০ টাকা হয়েছে যা অসম থেকেও বেশি। কর্মচারীরা ২০ শতাংশ ডি এ পেয়েছেন। কিন্তু সিপিএম আমলের মতো দলের নেতাদের কোনো চাঁদা দিত হয় নি। এই ছবি পাঁচ বছরের। ২৫ বছরের নয় যখন মানুষ এক কিলো চালও বীণে পয়সায় পেত না। আর এটা সম্ভব হয়েছে ডাবল ইঞ্জিন সরকারের জন্য। এছাড়া প্রত্যেকটি ক্ষেত্রে প্রকল্প রয়েছে মানুষের জন্য। মনে রাখতে হবে ত্রিপুরায় সিপিএম সরকার ছিল ২৫ বছর আর বিজেপি সরকারের সময় মাত্র ৫ বছর। ২৫ বছরে কেউ বিনা পয়সায় চাল পান নি। ২৫ বছরে ভাতা ছিল মাত্র ৭০০ টাকা। তাও মিছিলে গিয়ে আদায় করতে হয়েছে। এই পরিবর্তন সম্ভব হয়েছে নরেন্দ্র মোদীজির জন্য। মানিক সাহার কাজের জন্য। ফলে ২৫ বছরে যারা সন্ত্রাস আর অত্যাচার ছাড়া আর কিছু দিতে পারেনি তাদের কে ক্ষমতায় ফেরানো মানে আপনার স্বাধীনতা হারানো। অত্যাচারের শিকার হওয়া। তাই তাদেরকে বর্জন করে বিজেপি প্রার্থী স্বপ্না দাস পালকে পাঁচ বছরের জন্য বিধানসভায় পাঠাতে আপনাদের অনুরোধ করছি। ”
এদিনের উজ্জীবিত ও জনাকীর্ণ জনসভায় প্রার্থী স্বপ্না দাস পাল ছাড়াও দলের সকল স্তরের নেতৃত্ব উপস্থিত ছিলেন।