News Flash

  • Home
  • উত্তর-পূর্বাঞ্চল
  • মিশন বসুন্ধরা-র আবেদনপত্র পূরণের শেষ তারিখ ৩১ মার্চ পর্যন্ত বৃদ্ধি, বিধানসভায় মুখ্যমন্ত্রী ‘রাজ্য সরকার কোনও নতুন সংরক্ষিত বন তৈরির প্রস্তাব করছে না’
Image

মিশন বসুন্ধরা-র আবেদনপত্র পূরণের শেষ তারিখ ৩১ মার্চ পর্যন্ত বৃদ্ধি, বিধানসভায় মুখ্যমন্ত্রী ‘রাজ্য সরকার কোনও নতুন সংরক্ষিত বন তৈরির প্রস্তাব করছে না’

গুয়াহাটি, ২১ ডিসেম্বর (হি.স.) : মিশন বসুন্ধরা-র আবেদনপত্র পূরণের শেষ তারিখ ৩১ মার্চ পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে। না, আজ রাজ্য বিধানসভার শীতকালীন অধিবেশনের দ্বিতীয় দিন জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্ৰী ড. হিমন্তবিশ্ব শর্মা। তিনি বলেন, রাজ্য সরকারের স্বার্থ হল সমস্ত আদিবাসী / ভারতীয় নাগরিকদের কিছু নির্দিষ্ট জমি যেমন বনভূমি যা পরিবেশগতভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে এগুলো ছাড়া জমির অধিকার দেওয়া।

এ প্রসঙ্গে বিধানসভায় বক্তব্য পেশ করতে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী হিমন্তবিশ্ব শর্মা ঘোষণা করেন, রাজ্য সরকার মিশন বসুন্ধরা ২.০-এর আবেদনপত্রগুলি পূরণের তারিখ আগামী বছর ২০২৩ সালের ৩১ মার্চ পর্যন্ত সময়সীমা বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

রাজ্যে চলমান উচ্ছেদ সম্পর্কে অ্যাপেক্স কোর্টের সাম্প্রতিক রায়ের বিষয়ে বলতে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের যদি এই আদালতের রায় শুনতে হয় তা-হলে মিশন বসুন্ধরা হবে না।’ তিনি বলেন, ‘অ্যাপেক্স কোর্ট রায়ে বলেছে, ভিলেজ গ্রেজিং রিজার্ভ (ভিজিআর) এবং প্রফেশনাল গ্রেজিং রিজার্ভ (পিজিআর) জমিতে উচ্ছেদ অভিযান চালানো উচিত। তবে আমরা যদি অ্যাপেক্স কোর্টের রায় পড়তে থাকি এবং গ্রামের মানুষকে জানাই রায় তাহলে উচ্ছেদ হবে।’

মুখ্যমন্ত্রী পঞ্জাবের অ্যাপেক্স কোর্টের রায়ের কথা স্মরণ করিয়ে বলেছেন, ‘ভিজিআর / পিজিআর-এর অন্তর্গত জমি এমন-কি আদিবাসীদের দ্বারা বন্দোবস্ত করাও উচ্ছেদ করা উচিত। তবে, সমান্তরাল জমিতে যদি ভিজিআর / পিজিআরের জন্য জমি পাওয়া যায় তবে উল্লিখিত বাসিন্দাদের জমি দেওয়া যেতে পারে।’

মিশন বসুন্ধরা সম্পর্কে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, তৃতীয় কিস্তিতে রাজ্য সরকার সুপ্রিম কোর্টের আদেশ মেনে চলার চেষ্টা করছে। রাজ্য সরকার ভিজিআর / পিজিআর জমিতে বসবাসকারীদের জমির পাট্টা দেওয়ার কথাও ভাবছে।’ বলেন, রাজ্য সরকার এবার ভিজিআর / পিজিআর-এর অধীনে বিভাগ চালু করেছে। রাজ্য সরকার মিনিমাম নিড প্রোগ্রাম (এমএনপি) হাউজ সাইট স্কিমের অধীনে বন্দোবস্তকৃত মানুষের জন্য জমির পাট্টা প্রদান করবে। এজন্য রাজ্য সরকার ভিজিআর / পিজিআর-এ একটি আইন প্রবর্তন করার কথা ভাবছে, যা ওই সব জমিতে বসবাসকারীদের জমির পাট্টা পেতে সাহায্য করবে।

মুখ্যমন্ত্রী জোরের সঙ্গে বলেন, রাজ্য সরকার কোনও নতুন সংরক্ষিত বন তৈরির প্রস্তাব করছে না। তবে, ‘প্রস্তাবিত সংরক্ষিত বন’ নামে একটি বিভাগ রয়েছে, যা রাজ্য সরকার এর সমাপ্তি ঘটাতে চাইছে।

Releated Posts

শিশুশ্রম নির্মূলে সম্মিলিত উদ্যোগের আহ্বান মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মার

গুয়াহাটি, ১২ জুন (আইএএনএস) : বিশ্ব শিশুশ্রম বিরোধী দিবস উপলক্ষে অসমের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মা রাজ্যের সকল স্তরের…

ByByTaniya Chakraborty Jun 12, 2026

খগেন মহন্তের মৃত্যুবার্ষিকীতে শ্রদ্ধার্ঘ্য, ‘বিহুর রাজা’র অবদান স্মরণ করলেন অসমের মুখ্যমন্ত্রী

গুয়াহাটি, ১২ জুন (আইএএনএস) : প্রখ্যাত অসমীয়া লোকসংগীত শিল্পী ও ‘বিহুর রাজা’ নামে খ্যাত খগেন মহন্তের মৃত্যুবার্ষিকীতে তাঁকে…

ByByTaniya Chakraborty Jun 12, 2026

মেঘালয় সীমান্তের ‘নো-ম্যানস ল্যান্ডে’ আটকে বাংলাদেশি নাগরিক, বিএসএফ-বিজিবি অচলাবস্থা জারি

শিলং, ১১ জুন (আইএএনএস): ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে মেঘালয়ের দক্ষিণ-পশ্চিম গারো হিলস জেলায় ‘নো-ম্যানস ল্যান্ড’-এ আটকে রয়েছেন এক বাংলাদেশি হিন্দু…

ByByNews Desk Jun 11, 2026

ছয় নাগা গ্রামবাসী হত্যার প্রতিবাদে মণিপুরে বন্‌ধ, কুকি জঙ্গিদের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপের দাবি ইউএনসি-র

ইম্ফল, ১১ জুন (আইএএনএস): ছয় নাগা সাধারণ নাগরিককে অপহরণ ও হত্যার ঘটনায় প্রতিবাদ জানিয়ে ডাকা ২৪ ঘণ্টার সর্বাত্মক…

ByByNews Desk Jun 11, 2026
Scroll to Top