নয়াদিল্লি, ১২ ডিসেম্বর (হি.স.): মানুষে মানুষে ছয়লাপ। দিল্লির ইন্দিরা গান্ধী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পা রাখারও জায়গা নেই। এমনই অভিযোগের পর অভিযোগ জমা পড়েছে অসামরিক উড়ান পরিবহণ মন্ত্রকে। যাত্রীদের ভুরি-ভুরি অভিযোগ পাওয়ার পর সোমবার সকালে আচমকাই দিল্লি বিমানবন্দর পরিদর্শনে গেলেন অসামরিক বিমান পরিবহন মন্ত্রী জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়া।
এদিন সকালে দিল্লির ইন্দিরা গান্ধী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের টার্মিনাল ৩-এ আচমকাই পরিদর্শনে যান জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়া। কথা বলেছেন বিমানবন্দরের কর্তাদের সঙ্গে, কেন এত ভিড় হয়, ভিড় কীভাবে কমান সম্ভব, এই সমস্ত বিষয়ে তিনি কথা বলেছেন। পরে সংসদ চত্বরে কেন্দ্রীয় অসামরিক বিমান পরিবহন মন্ত্রী জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়া বলেছেন, “আমরা প্রবেশদ্বারের সংখ্যা ১৪ থেকে বাড়িয়ে ১৬ করেছি। বিমানবন্দরের অভ্যন্তরে আধিকারিকদের সঙ্গে একটি বৈঠক করা হয়েছে, যে বৈঠকে আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি, বিমানবন্দরে প্রবেশের আগে অপেক্ষার সময় প্রতিটি প্রবেশ গেটে একটি বোর্ড স্থাপন করতে হবে।” তিনি বলেছেন, এর ফলে যাত্রীদের গেটে পৌঁছতে সহায়তা হবে। সিন্ধিয়া আরও বলেছেন, “নিরাপত্তা প্রক্রিয়া সংক্রান্ত আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। দিল্লি বিমানবন্দরে বর্তমানে মোট ১৩টি লাইন ব্যবহার করা হচ্ছে, যা আমরা ১৬-তে উন্নীত করেছি।”
রবিবার সকালেই (১১ ডিসেম্বর) দিল্লির ইন্দিরা গান্ধী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ব্যাপক ভিড় দেখা যায়। প্রচুর যাত্রী লাইন দিয়ে দাঁড়িয়ে থাকেন বিমানবন্দরে। অনেককে দীর্ঘ সময় অপেক্ষাও করতে হয়। শুধু রবিবার নয়, দিল্লি বিমানবন্দরে মাঝে মধ্যেই ভিড়ের অভিযোগ করেন যাত্রীরা।



















