কলকাতা, ১০ ডিসেম্বর (হি. স.) : মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে নেপাল সফরে অনুমতি দিল না কেন্দ্র। তবে আনুষ্ঠানিকভাবে নবান্ন বা তৃণমূলের তরফে এ নিয়ে এখনও কিছু জানানো হয়নি। বিদেশ মন্ত্রকের কোনও মন্তব্য করা হয়নি।
সূত্রের খবর, সে দেশের প্রথম সারির রাজনৈতিক দল নেপালি কংগ্রেসের বার্ষিক কর্মসূচিতে যোগদানের জন্য আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল মমতাকে। নেপালের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী তথা নেপালি কংগ্রেসের সভাপতি শের বাহাদুর দেউবা চিঠি লিখেছিলেন তৃণমূলনেত্রীকে। এরপর বিদেশ মন্ত্রকের তরফে প্রশ্ন তোলা হয়, একটি অঙ্গরাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীকে কোন যুক্তিতে একটি বিদেশি রাজনৈতিক দলের কর্মসূচিতে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে? এর উত্তর দেয় নবান্ন। কিন্তু শোনা যাচ্ছে, তার পর মমতাকে অনুমতি দেওয়া হয়নি।
এর আগে মমতাকে চিন এবং ইটালি সফরেও অনুমতি দেওয়া হয়নি। গত সেপ্টেম্বরে রোম সফরের অনুমতি না পাওয়া নিয়ে ক্ষোভ উগরে দিয়েছিলেন মমতা। তিনি বলেছিলেন , ‘‘প্রধানমন্ত্রী বিদেশ গেলেন, অথচ আমাকে কেন যেতে যেওয়া হল না?’’ এর পর তিনি বলেন, ‘‘আমাকে হিংসে করে বলেই আটকানো হল।’’রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের একাংশের ধারণা, চিনের ‘কার্যত অঙ্গরাজ্য’ হয়ে গিয়েছে নেপাল। বেজিয়েংর প্ররোচনায় নয়াদিল্লির সঙ্গে জমি বিবাদেও কাঠমান্ডু জড়িয়েছে। লাদাখে সঙ্ঘাত এবং তার পরে ‘টিকটক’, ‘পাবজি’ ব্যান করার মধ্যে দিয়ে চিনের সঙ্গে সম্পর্কের ‘অবনতি’ হয়েছে ভারতের। যে কারণেই সম্ভবত মমতাকে নেপাল সফরের অনুমতি দেওয়া হল না।


















