নিজস্ব প্রতিনিধি, আগরতলা, ১৬ আগস্ট।। উত্তর ত্রিপুরা জেলার ধর্মনগরে তৃণমূল কংগ্রেসকে প্রতিহত করতে নানা কৌশল গ্রহণ করেছে বিজেপি। জনগণের দৃষ্টি অন্যদিকে ঘুরিয়ে দেওয়ার লক্ষ্যেই শাসক দলের নেতা মাতব্বরেরা এ ধরনের কৌশল নিচ্ছেন বলে বিভিন্ন মহল থেকে অভিযোগ উঠেছে । গত ১৩ আগষ্ট ধর্মনগরে বিজেপির মিছিল অনুষ্ঠিত হয়। মিছিল শেষে উত্তর ত্রিপুরা জেলা শাসক অফিসের প্রবেশ দ্বারে রাস্তা অবরোধ করে কোভিড বিধি ভেঙে বীর নপুংসক দলদাস পুলিশের উপস্থিতিতে সভা সংগঠিত কররে ।
সেই সভায় শিক্ষা ক্ষেত্রে নৈরাজ্য, বেকারদের কর্মসংকোচন, রেগায় ব্যাপক দূর্ণীতি, কোভিড মোকাবিলায় ব্যর্থতা, ৭ম পে-কমিশনের জুমলাবাজী, ১০৩২৩ চাকুরীচ্যূত শিক্ষকদের প্রতিশ্রুতি মতো পুনর্নিয়োগ, জলকর, সম্পত্তি কর, ট্রেডলাইসেন্স ফিস বৃদ্ধি, বিদ্যুৎ বেসরকারীকরণ ও অস্বাভাবিক মাশুল বৃদ্ধি কার স্বার্থে? ত্রিপুরায় রেলডিভিশন ও এইমস’র আদলে সুপার স্পেশালিটি হাসপাতাল স্থাপন, গণতন্ত্রকে পদদলিত করে কিভাবে আইনের শাসনকে লাশ কাটা ঘরে পাঠানো হয়েছে সে সম্পর্কে একটি শব্দও সভায় একজন বক্তাও উচ্চারণ করলেন না। কিন্তু বিরোধীদের এবং শিক্ষক-কর্মচারীদের কিভাবে শিক্ষা দিতে হবে, হাড্ডি গুড়ো গুড়ো করে দিতে হবে সেটা স্বউল্লাসে বীরদর্পে বলার চেষ্টা করেছেন বিধানসভার উপাধ্যক্ষ বিশ্বব বন্ধু সেন।প্রকাশ্যে জননির্বাচিত প্রতিনিধির উচ্চারিত বক্তব্য অবশ্য স্থানীয় জনগণ পাত্তাই দেননি। বর্তমানে রাজ্যে তৃণমূল কংগ্রেসের যে তথ্য হাওয়া বইছে তা প্রতিহত করার লক্ষ্যেই জনগণকে আকৃষ্ট করতে এ ধরনের বক্তব্য রাখা হচ্ছে বলে অনেকেই মন্তব্য করেছেন ।



















