নিজস্ব প্রতিনিধি, চড়িলাম, ২ মার্চ৷৷ বৃহস্পতিবার সকাল দশটায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সংশ্লিষ্ট বন বিভাগের রেঞ্জার কর্ণজিৎ সাহা, ফরেস্টার বিশ্বজিৎ শীল সহ অন্যন্য বনকর্মীরা এলাকায় ওতপেতে বসে থাকে৷ ঐ এলাকায় তল্লাশি চালিয়ে বহু দামি গাচের লক, দুটি গাড়ির মধ্যে একটি মারুতি ভ্যান টি আর০৩-০২৮৩ আর অপরটি টিআর- ০১এম- ১৬৬২ একটি জেনারেটর এবং একটি করাত(সমিল) উদ্ধার করা হয়েছে৷ যার বাজার মূল্য আনুমানিক ২৫ লক্ষ টাকা হবে বলে জানান৷ এই উদ্ধারকার্যে নিয়োজিত বিভাগীয় কর্মীদের ধন্যবাদও জানিয়েছেন বন দপ্তরের আধিকারিক তথা পৌষালী রায়৷ গাড়ি সমেত অন্যান্য বনজ সম্পদ সহ স মিল জেনারেটর গুলো চড়িলাম রেঞ্জ অফিসে এনে বাজেয়াপ্ত করা হয়৷ চোরাকারবারীদের অর্থাৎ বন দপ্তরের বিরুদ্ধে তল্লাশি অভিযান চালানোর ব্যাপারটা খুব সহজ নয় অত্যন্ত ঝঁুকিপূর্ণ৷ তাই পুলিশ ও বন কর্মীদের যৌথ অভিযানে বৃহস্পতিবার বড়সড় সাফল্য পায় চড়িলাম রেঞ্জ অফিসের কর্মীরা৷ কিছু কিছু মানুষ বলেন সরকারি নিয়মনীতি তোয়াক্কা না করে বিভিন্ন জায়গায় অবৈধ করাতকম(সমিল) গড়ে উঠেছে৷ সমিলগুলি আইন বিধি লঙ্ঘন করে অবৈধভাবে হচ্ছে এতে পরিবেশ হুমকির মুখে পড়ে অর্থনীতির ভারসাম্য হারাচ্ছে৷ সিপাহিজলা জেলার বহু স্থানে গড়ে উঠেছে এসব অবৈধ সমিল স্থাপন৷ চোরাইকাঠ পাচার করতে দেখা গেছে৷ রাতের আঁধারে বনদস্যুরা চোরাই করা কাঠ রূপান্তরিত করে বিক্রি করে আসছে৷ বন বিভাগের কর্মকর্তারা আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও জেলা প্রশাসনের কিছুদর্নীতিবাজ কর্মকর্তার কর্মচারীকে ম্যানেজ করে এসব সমিল গুলো চালাচ্ছে৷ নাম প্রকাশ না করার শর্তে কয়েকজন মালিক বলেন বনবিভাগের কর্মকর্তা, আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীও প্রশাসনের লোকজনকে ম্যানেজ করেই এসব সমিল চালানো হচ্ছে৷ এসব দুর্নীতির বিরুদ্ধে রাজ্য সরকার কড়া অবস্থানের কোনও প্রভাব এদের ওপর আঁচ পড়েনি৷ এরা ওদের কুকর্মে অবিচল অটল৷ বুদ্ধিজীবী মহল মনে করেন সরকার যদি গুপ্তচর নিয়োগ করেএসব দুর্নীতিগ্রস্তদের একে একে জালে পোড়ার কাজও চালাতো তবে বন দপ্তরের সাফল্য কেউ রুখতে পারত না৷ এব্যাপারে বন আধিকারিকরা জানান আমরা চেষ্টা করলে বনদস্যুদের গ্রেপ্তার করে উপযুক্ত শাস্তি প্রদানের এবং এই অভিযান আমরা চালিয়ে যাবো৷


















