আগরতলা, ১২ সেপ্টেম্বর: সাফল্যের কোনও শর্টকার্ট উপায় নেই। শিক্ষার্থীদের শ্রেষ্ঠত্ব অর্জনের জন্য নিরন্তর প্রচেষ্টা চালাতে, শেখা অব্যাহত রাখতে এবং সাফল্যের শিখরে পৌঁছানোর যাত্রায় অবিচল থাকতে হবে।
আজ ইকফাই ইউনিভার্সিটির ২১তম সমাবর্তন অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি রাজ্যপাল ইন্দ্রসেনা রেডিড নাল্লু একথা বলেন। অনুষ্ঠানে রাজ্যপাল বলেন, শিক্ষার্থীদের তাদের সামগ্রিক বিকাশ ও ভবিষ্যৎ সাফল্যের জন্য ব্যবহারিক ও দক্ষতাভিত্তিক শিক্ষার ওপর জোর দিতে হবে। তিনি ইকফাই বিশ্ববিদ্যালয়কে ব্যবহারিক শিক্ষার ওপর গুরুত্ব অব্যাহত রাখার আহ্বান জানান, যাতে শিক্ষার্থীরা দ্রুত পরিবর্তনশীল বিশ্বের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় প্রস্তুত হতে পারে।
রাজ্যপাল বলেন, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি উন্নত ভারত গড়ার লক্ষ্যে ‘বিকশিত ভারত ২০৪৭’-এর ডাক দিয়েছেন। রাজ্য সরকারও ‘বিকশিত ত্রিপুরা ২০৪৭’-এর রোডম্যাপ বা কর্মপরিকল্পনা রূপায়ণের মাধ্যমে বিকশিত ভারত গড়ার কাজে সামিল হয়েছে। সদ্য স্নাতক হওয়া শিক্ষার্থীরাও এই লক্ষ্যপূরণের রূপকার।
রাজ্যপাল বলেন, বিশ্ব দ্রুত পরিবর্তিত হচ্ছে এবং সম্ভাবনার পরিধি ক্রমাগত প্রসারিত হচ্ছে। বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অর্জিত জ্ঞান ও দক্ষতা কেবল ব্যক্তিগত সাফল্যের জন্যই নয়, বরং জাতি গঠনের বৃহত্তর লক্ষ্যেও কাজে লাগাতে তিনি স্নাতকদের প্রতি আহ্বান জানান। রাজ্যপাল বলেন, জাতীয় শিক্ষানীতি ২০২০ হলো নতুন ও উন্নত ভারত গড়ার মূল ভিত্তি। ইকফাই ইউনিভার্সিটি ত্রিপুরার সর্বাঙ্গীন ও বহু-বিভাগীয় শিক্ষার ক্ষেত্রে জাতীয় শিক্ষানীতির দৃষ্টিভঙ্গি সক্রিয়ভাবে গ্রহণ করায় তিনি সন্তোষ প্রকাশ করেন। রাজ্যপাল অভিভাবক, শিক্ষক, সমাজসেবক এবং বিশেষ করে যুবসমাজ সহ সকল নাগরিককে নেশার বিরুদ্ধে লড়াইয়ে সামিল হওয়ার আহ্বান জানান।
সমাবর্তন অনুষ্ঠানে ইকফাই বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক বিপ্লব হালদার স্বাগত বক্তব্য রাখেন এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিবেদন উপস্থাপন করেন। অনুষ্ঠানে এছাড়াও ইকফাই বিশ্ববিদ্যালয়ের চ্যান্সেলর তিরুপতি রাও এবং ড. চন্দ্রশেখর রাও উপস্থিত ছিলেন। রাজ্যপাল পিএইচডি গবেষক এবং স্নাতকোত্তর ও স্নাতক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের তাদের শিক্ষাগত সাফল্যের জন্য পিএইচডি ডিগ্রি, স্বর্ণপদক ও শংসাপত্র প্রদান করেন। লোক ভবন থেকে এই সংবাদ জানানো হয়েছে।



















