আগরতলা, ২৩ এপ্রিল (হি. স.)৷৷ করোনার চিকিৎসায় ত্রিপুরার চিকিৎসকদের উপর পূর্ণ আস্থা রাখুন৷ আমরা সম্মিলিতভাবে করোনার দ্বিতীয় ঢেউ মোকাবিলা করে যুদ্ধে জয়ী হবই৷ ত্রিপুরাবাসীকে আশ্বস্থ করে একথা বলেন সাংসদ প্রতিমা ভৌমিক৷ তাঁর কথায়, করোনা আক্রান্ত ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী এবং উপ-মুখ্যমন্ত্রী রাজ্যের চিকিৎসকদের উপর ভরসা রেখেছেন৷ তাঁরা সুস্থ হয়েছেন৷
এদিন তিনি বলেন, করোনার প্রথম ঢেউয়ের সময় আমরা করোনা সম্পর্কে কিছুই জানতাম না৷ পিপিই কিট, স্যানিটাইজার, মাস্ক ইত্যাদির অভাব ছিল৷ তখন করোনার বিরুদ্ধে যুদ্ধ করার পদ্ধতিও আমাদের জানা ছিল না৷ কিন্ত, আজ আমরা অনেক অভিজ্ঞতা সম্পন্ন৷ শুধু তাই নয়, করোনার বিরুদ্ধে যুদ্ধে স্বয়ং সম্পুর্ন, দৃঢ়তার সাথে বলেন তিনি৷
তাঁর কথায়, গত ৩১ অক্টোবর জয়ন্তিয়া ওয়ার্ডে ডেডিকেটেড কোভিড হাসপাতাল গড়ে তোলা হয়েছে৷সেখানে অক্সিজেনের ব্যবস্থা সহ সর্ব সুবিধা রয়েছে৷ তাঁর দাবি, ত্রিপুরায় চিকিৎসকরা খুব ভালো চিকিতা করছেন৷ তাই, মুখ্যমন্ত্রী, উপমুখ্যমন্ত্রী ত্রিপুরার চিকিৎসকদের চিকিৎসা নিয়ে সুস্থ হয়ে উঠেছেন৷ তিনি বলেন, সম্প্রতি মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব কুমার দেব করোনা আক্রান্ত হয়েছিলেন৷ কিন্ত, জি বি হাসপাতালের চিকিতায় ভরসা রেখেছেন৷ ত্রিপুরার চিকিতকরা তাঁর চিকিতা করেছেন৷ এখন সুস্থ হয়ে খুব শীঘ্রই কাজে যোগ দেবেন৷
সাংসদ প্রতিমা ভৌমিকের দাবি, অযথা ভয় না পেয়ে করোনার চিকিতা সরকারি পরিষেবায় আস্থা রাখুন৷ ত্রিপুরায় করোনা মোকাবিলায় সমস্ত ব্যবস্থা করা হয়েছে৷ তেমনি, চিকিতকরাও তাদের সবর্োচ্চ পরিসেবা প্রদানে প্রস্তুত রয়েছেন৷ তাই, করোনা আক্রান্ত হওয়ার পর শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে অযথা বাড়িতে বসে থাকবেন না৷ সময় মত হাসপাতালে গিয়ে চিকিতা পরিসেবা নিন এবং সুস্থ থাকুন৷ তিনি বলেন, অতীতের তুলনায় হাসপাতালগুলিতে পরিকাঠামোগত অনেক উন্নয়ন হয়েছে৷ তাই, সকলে সম্মিলিতভাবে করোনার দ্বিতীয় ঢেউ মোকাবিলা করে আমরা যুদ্ধে জয়ী হবই৷
সেই সঙ্গে তিনি করোনার টিকাকরনে সকলকে গুরুত্ব দেওয়ার অনুরোধ জানিয়েছেন৷ এখনই করোনার টিকা নিন এবং যুদ্ধ জয়ে নিজেকে এগিয়ে রাখুন৷ তিনি জানান, ২৮ এপ্রিল থেকে ১৮ উর্দ সকলের টিকা শুরু হবে৷ সামান্য টাকা খরচ করে ওই সুবিধা নিন৷

