নিজস্ব প্রতিনিধি, আগরতলা, ৭ আগস্ট৷৷ শুক্রবার সকালে ধলাই জেলার আমবাসায় ডলুবাড়ির বেতবাগান এলাকায় আসাম-আগরতলা জাতীয় সড়কে একটি লরি আটক করে প্রচুর পরিমান গাঁজা উদ্ধার করেছে পুলিশ৷ জানা যায়, গাড়িটি আগরতলা থেকে ধর্মনগরের উদ্দেশ্যে যাচ্ছিল৷ এসডিপিও আশিষ দাসগুপ্ত এবং আমবাসা থানার ওসি হিমাদ্রী সরকার সুনির্দিষ্ট খবরের ভিত্তিতে পুলিশকে সঙ্গে নিয়ে আসাম-আগরতলা জাতীয় সড়কের বেতবাগান এলাকায় লরিটি আটক করেন৷ লরিতে তল্লাশি চালিযে ৬৫ প্যাকেট মোট ৭৫৭ কেজি শুকনো গাঁজা উদ্ধার করে পুলিশ৷
এই ঘটনায় গাড়ির চালক আব্দুল হক এবং সহচালক জামির ইসলামকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে৷ তাদের বিরুদ্ধে এনডিপিএস ধারায় মামলা গ্রহণ করে ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ৷ অবশ্য গাঁজা পাচারকারী চক্রের আসল কুশীলবদের কোনো হদিশ পায়নি পুলিশ৷ আশঙ্কা করা হচ্ছে, বহিরাজ্যে পাচারের উদ্দেশ্যেই আগরতলা থেকে লরি বোঝাই করে গাঁজা নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছিল৷
আগাম খবরের ভিত্তিতে পুলিশ অভিযান চালানো ফলে সেই প্রচেষ্টা ব্যর্থ হয়েছে৷ উল্লেখ্য, লকডাউন এবং কারফিউ চলাকালেও নেশা পাচারচক্র তাদের পাচার বাণিজ্য বহাল তবিয়তে চালিয়ে যাচ্ছে৷ পরিস্থিতি মোকাবেলা করা রীতিমতো কষ্টকর হয়ে উঠেছে৷ প্রতিদিনই কোনো না কোন জায়গা থেকে গাঁজা, ফেন্সিডিল সহ অন্যান্য নেশা জাতীয় সামগ্রীর উদ্ধারের ঘটনা অব্যাহত রয়েছে৷
বোধজং নগর থানার পুলিশ ভিন রাজ্য থেকে আসা একটি লরি আটক করে প্রচুর পরিমাণ নেশাজাতীয় সামগ্রী উদ্ধার করেছে৷জানা যায় একটি লরি আসাম থেকে ফেন্সিডিল সহ অন্যান্য নেশাজাতীয় সামগ্রী নিয়ে আগরতলা থেকে আসছিল৷এসডিপিও পিয়া মাধুরী মজুমদার সুনির্দিষ্ট খবরের ভিত্তিতে পুলিশকে সঙ্গে নিয়ে উৎপেতে বসে থেকে লরিটি আটক করতে সক্ষম হন৷ লরি চালক এবং সহ চালককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ৷ লরি চালক এর নাম বীর সিংএবং সহ চালকের নাম শামসেত সিং৷ তাদের দুজনকে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে৷ লরি চালক এবং সহ চালককে আটক করা হলেও এই নেশাজাতীয় সামগ্রির পাণ্ডাদের আটক করতে সক্ষম হয়নি পুলিশ৷ কে বা কারা এই নেশাজাতীয় সামগ্রী আমদানি করেছে সে সম্পর্কে এখনো পর্যন্ত বিস্তারিত কোনো তথ্য জানা যায়নি৷
পুলিশ আটক লরি চালক এবং সহ চালককে জিজ্ঞাসাবাদ করে এ বিষয়ে তথ্য উদ্ধারের চেষ্টা চালাচ্ছে৷এ বিষয়ে তথ্য দিতে গিয়ে এসডিপিও প্রিয়া মাথুরি মজুমদার জানান আসাম থেকে আগরতলার উদ্দেশ্যে লরিটি আসছে বলে তার কাছে সুনির্দিষ্ট খবর ছিল৷ সেই খবরের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে পুলিশ গাড়িটি আটক করতে সক্ষম হয়েছে৷ উল্লেখ্য লকডাউন চলাকালেও নেশা পাচারকারীরা নানা কৌশলে তাদের নেশা পচার বাণিজ্য অব্যাহত রেখেছে৷রাজ্য সরকার রাজ্য কে নেশামুক্ত রাজ্য হিসেবে গড়ে তোলার বিভিন্ন প্রয়াস হাতে নিলেও নেশা কারবারিরা তাদের নেশা কারবার থেকে বিন্দুমাত্র পিছু হটছে না৷



















