নিজস্ব প্রতিনিধি, আগরতলা, ২২ মে৷৷ ট্রেড লাইসেন্সের সরলীকরণে সরকার প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নিচ্ছে৷ তাতে দোকানদাররা ঋণ নিতে পারবেন৷ এক্ষেত্রে সমস্ত দোকানে ট্রেড লাইসেন্স বাধ্যতামূলক করা হচ্ছে৷
আজ শুক্রবার সচিবালয়ে সাংবাদিক সম্মেলনে ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব কুমার দেব আক্ষেপ করে বলেন, অনেক দোকানদারের ট্রেড লাইসেন্স নেই৷ আগরতলা শহরে ২২ হাজার দোকানি থাকলেও ট্রেড লাইসেন্স নিয়ে ব্যবসা করছেন মাত্র ৮ হাজার ব্যবসায়ী৷ ফলে, ট্রেড লাইসেন্স ছাড়া ব্যবসায়ীরা সরকারি সুযোগ সুবিধা নিতে পারছেন না৷ তিনি বলেন, ট্রেড লাইসেন্স না থাকার ফলে প্রকৃত ব্যবসায়ীরা বিমা এবং ঋণের সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন৷ সরকারের ঋণ নিয়ে ব্যবসার প্রসার ঘটানোর সুযোগ থাকলেও ট্রেড লাইসেন্স না থাকার কারণে সুবিধা প্রাপ্তি থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন৷ মুখ্যমন্ত্রী জানান, ট্রেড লাইসেন্সের সরলীকরণের জন্য সরকার প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নিচ্ছে৷ এর ফলে প্রায় এক থেকে দেড় লক্ষ দোকানদার সুবিধা পাবেন৷
এদিকে, ত্রিপুরায় ‘এক ন্যাশন – এক রেশন কার্ড’ চালু রয়েছে বলে জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী৷ ফলে রেশন কার্ড বন্ধক দেওয়ার খবর সঠিক নয় বলে দাবি করেন তিনি৷ এদিন তিনি বলেন, গণবণ্টন ব্যবস্থায় কম্পিউটার পদ্ধতিতে ই-পিডিএস চালু রয়েছে৷ এই পদ্ধতিতে সংশ্লিষ্ট রেশন কার্ড হোল্ডারের আঙুলের টিপ ছাপ এবং রেটিনার ভিজন মিললে পড়েই গ্রাহক রেশন সামগ্রী তুলতে পারবেন৷ তিনি বিদ্রুপ করে বলেন, ২০-২৫ বছর আগে রেশন কার্ড থাকলেই রেশন মিলত৷ ফলে, তখন একজনের রেশন কার্ড দিয়ে অন্যজনে রেশন সামগ্রী তুলতেন৷ তাঁর দাবি, বর্তমানে কম্পিউটারাইজড গণবণ্টন ব্যবস্থা চালু হওয়ার ফলে রেশন কার্ড বন্ধকের পদ্ধতি শেষ হয়ে গেছে৷ এক ন্যাশন – এক রেশন কার্ড পদ্ধতি চালু হওয়ার ফলে যে কোনও গ্রাহক যে কোনও জায়গা থেকে রেশন সামগ্রী তুলতে পারবেন৷ এক্ষেত্রে গ্রাহকের সচেতনতার প্রয়োজন বলে মনে করেন মুখ্যমন্ত্রী৷

