রাজ্যের ছয় জেলাতেই সংক্রমণ আক্রান্তের সংখ্যা বেড় ১৭৩ জন

নিজস্ব প্রতিনিধি, আগরতলা, ২০ মে৷৷ ট্রেনে চেন্নাই ফেরত ত্রিপুরায় আরও চারজনের দেহে করোনা সংক্রমণ মিলেছে৷ তাঁদের আজ(বুধবার ভগৎ সিং যুব আবাসে কোভিড কেয়ার সেন্টারে নিয়ে যাওয়া হয়েছে৷ সবমিলিয়ে ত্রিপুরায় ১৭৩ জন করোনা আক্রান্ত হয়েছেন৷ কিন্তু, বহির্রাজ্য থেকে আগত ত্রিপুরার নাগরিকদের দেহে করোনা সংক্রমণের ঘটনায় রাজ্য প্রশাসনের চিন্তা বাড়িয়েছে৷ সাথে রাজ্যবাসীর বেড়েছে দুশ্চিন্তা ও আতঙ্ক৷ কারণ, ধলাই, গোমতি, খোয়াই ও উত্তর ত্রিপুরা জেলার সাথে এখন সিপাহিজলা এবং ঊনকোটি জেলাও করোনা সংক্রমিতের তালিকায় ঠাঁই পেয়েছে৷


মঙ্গলবার গভীর রাতে মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব কুমার দেব এক ট্যুইট বার্তায় জানিয়েছেন, ৮৫০টি নমুনা পরীক্ষায় চারজনের কোভিড-১৯ রিপোর্ট পজিটিভ এসেছে৷ তাঁরা সকলেই চেন্নাই থেকে ফিরেছেন৷ স্বাস্থ্য দফতরের আধিকারিক জানিয়েছেন, ওই চারজনের মধ্যে সিপাহিজলা জেলার সোনামুড়া মহকুমার অন্তর্গত আড়ালিয়া ও টাকারজলার, ধলাই জেলার জয়ন্তিবাজার এবং ঊনকোটি জেলার কৈলাসহরের এক জন করে বাসিন্দা রয়েছেন৷ ওই আধিকারিকের কথায়, চারজনকেই ভগৎ সিং যুব আবাসে কোভিড কেয়ার সেন্টারে রাখা হয়েছে৷


সাথে তিনি যোগ করেন, ওই চার করোনা আক্রান্তের পরিবারের সদস্যদের বাড়িতেই একান্তবাসে রাখা হয়েছে৷ করোনা আক্রান্তদের চেন্নাই থেকে আগরতলায় ফেরত আসার পাঁচদিন পর তাঁদের পরিবারের সদস্যদের নমুনা পরীক্ষা করা হবে৷ ওই আধিকারিক বলেন, চার করোনা আক্রান্ত ট্রেনের সি-২ এবং জে-৪ বগিতে ছিলেন৷ ফলে, তাঁদের সাথে সফর করেছেন এমন যাত্রীদেরও পাঁচদিন পর নমুনা পরীক্ষা করা হবে৷ ইতিমধ্যে, ওই চার করোনা আক্রান্তের ৩ কিমি জায়গায় করোনা ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা হিসেবে ঘোষণা দেওয়া হয়েছে৷


প্রসঙ্গত, রাজ্যে নতুন করে করোনা আক্রান্তের ঘটনা যথেষ্ট উদ্বেগজনক বলেই মনে করা হচ্ছে৷ কারণ, চার করোনা আক্রান্তই সাধারণ নাগরিক৷ তাঁদের সংস্পর্শে যাঁরা ছিলেন তাঁদের চিহিণত করতে হবে৷ আগরতলা রেলস্টেশনে নেমে তাঁরা বেসরকারি গাড়িতে কিংবা নিজস্ব গাড়ি করে বাড়ি ফিরেছেন৷ ফলে তাঁদের সংস্পৃষ্ট সকলকেই খুঁজে বের করে একান্তবাসে পাঠাবে স্বাস্থ্য দফতর৷