আগরতলা, ২৩ এপ্রিল: পশ্চিমবঙ্গের এই নির্বাচনে কর্মচারী ও মহিলারা বিজেপিকে ভোট দেবেন এবং মানুষ বাংলাকে বাঁচাতে বিজেপিকেই ভোট দেবেন। আজ পশ্চিমবঙ্গে প্রথম ধাপের নির্বাচন চলাকালিন , ত্রিপুরার বিদ্যুৎমন্ত্রী রতন লাল নাথ এই কথা বলেন ।
তিনি বলেন, এই বার স্পষ্ট যে পশ্চিমবঙ্গে বদল ঘটবে। মন্ত্রী বলেন আমি অনেকদিন ধরে রাজনীতিতে আছি এবং জনসাধারণের স্পন্দন বুঝতে পারি যে কীভাবে রাজনৈতিক পরিস্থিতি বদলাচ্ছে। এই বার এক স্বাধীন ও সুষ্ঠু নির্বাচন হচ্ছে। নির্বাচন কমিশন একাধিক পদক্ষেপ নিয়েছে। আমি শ্যামপুকুর ও জোড়াসাঁকোর দায়িত্বে আছি । শ্যামপুকুরে তিনটি মন্ডলের অধীনে ২২১টি বুথ রয়েছে। এখানে আমাদের প্রার্থী পূর্ণিমা চক্রবর্তী জনপ্রিয়, তরুণী ও উদ্যমী। এই আসনে আমরা ভালো ভোটের ব্যবধানে জিতব। নির্বাচন স্বাধীন ও সুষ্ঠুভাবে হচ্ছে । ভারতের মধ্যে পশ্চিমবঙ্গ একসময় সব ক্ষেত্রে শীর্ষে ছিল, কিন্তু সিপিআইএম ও তৃণমূলের কুশাসনে এখন সব দিক থেকে পিছিয়ে আছে। তারা সব লুট করেছে,।
মন্ত্রী জানান, বিজেপি প্রার্থীরা ভালো ব্যবধানে জিতবেন। আগে কলকাতায় আমাদের কোনো আসন ছিল না, কিন্তু এই বার বিজেপি সংখ্যাগরিষ্ঠ আসন পাবে। এতে কোনও সন্দেহ নেই। ২০২১ সালের আগে পশ্চিমবঙ্গে আমাদের তিনটি আসন ছিল। সেখান থেকে আমরা আমাদের ভোটের শতাংশ ৭৭ শতাংশে বাড়িয়েছি এবং এই নির্বাচনে এই শতাংশ আরও বাড়বে। গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল, এই বার নির্বাচন স্বাধীন ও সুষ্ঠুভাবে হচ্ছে। বেশিরভাগ এলাকায় শান্তিপূর্ণ নির্বাচন হচ্ছে। কলকাতার মানুষ সব বুঝে গিয়েছেন। আগে মানুষ কলকাতায় আসতে চাইতেন, কিন্তু এখন কর্মসংস্থানের খোঁজে তাঁরা পুণে, হায়দরাবাদ ও অন্য জায়গায় চলে যাচ্ছেন।
তিনি বলেন, আমরা ‘বিকশিত ভারত’-এর কথা বলছি , আর পশ্চিমবঙ্গ ছাড়া তা সম্ভব নয়। তার জন্য এই রাজ্যে বিজেপিকে জিততে হবে। জবরদস্তি করে নয়, মানুষ বুঝে গিয়েছেন যে শুধু বিজেপিই পশ্চিমবঙ্গে প্রকৃত উন্নয়ন ও অগ্রগতি আনতে পারে। এই বার কর্মচারী ও মহিলারা বিজেপিকে ভোট দেবেন এবং পশ্চিমবঙ্গ কে বাঁচাতে এখন মানুষ বিজেপিকে ভোট দিচ্ছেন।



















