কলকাতা, ২১ নভেম্বর : পশ্চিমবঙ্গ ও ঝাড়খণ্ডে শুক্রবার সকাল থেকে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি)-এর তল্লাশি ও অভিযানে বিপুল পরিমাণ নগদ অর্থ ও সোনা উদ্ধার হয়েছে। তদন্তসংক্রান্ত সূত্র জানিয়েছে, দুই রাজ্যে মোট ২৫টি স্থানে অভিযান পরিচালনা করা হলেও তিনটি স্থানে বিশেষভাবে অপ্রদর্শিত নগদ ও সোনা পাওয়া গেছে—যেগুলো তিনটিই পশ্চিমবঙ্গের।
তবে ঠিক কোন কোন স্থান থেকে এই নগদ ও সোনা জব্দ হয়েছে, সে বিষয়ে ইডি এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানায়নি।
সূত্রের দাবি, উদ্ধার হওয়া অন্তত ১ কোটি টাকা নগদের গণনা ইতোমধ্যেই সম্পন্ন হয়েছে, এবং রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত গণনার কাজ চলছিল। পাশাপাশি জব্দ সোনার—যার বেশিরভাগ অলংকার—মূল্যায়নের কাজও শুরু করেছে ইডি।
দিনের শেষে মোট কত নগদ ও সোনা উদ্ধার হলো, তা সঠিকভাবে জানা যাবে মুদ্রা গণনা ও সোনার মূল্যায়ন সম্পূর্ণ হলে।
পশ্চিমবঙ্গের যেসব স্থানে আজ অভিযান হয়েছে, তার মধ্যে রয়েছে আসানসোলের কয়লাক্ষেত্র অঞ্চলে ভারত কোকিং কোল লিমিটেড (বিসিসিএল)-এর একজন হাই-প্রোফাইল ঠিকাদারের অফিস ও বাড়ি। এছাড়া, কয়লা ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত আরও তিনজন ব্যবসায়ীর বাড়িতে অভিযান চালানো হয়েছে—যার মধ্যে দু’টি সল্টলেকে এবং একটি হাওড়ার সলাপ ক্রসিং এলাকায়।
বহু-কোটি টাকার কয়লা চোরাচালান মামলা নিয়ে ইডি ও সিবিআই সমান্তরাল তদন্ত চালাচ্ছে। সম্প্রতি সিবিআই আদালতকে জানিয়েছে যে তাদের তদন্ত প্রক্রিয়া শিগগিরই শেষ হবে।
সিবিআই-এর এমন অবস্থান আদালতে উপস্থাপনের কয়েক দিনের মধ্যেই পশ্চিমবঙ্গ ও ঝাড়খণ্ডে একাধিক স্থানে ইডির এই ব্যাপক অভিযান শুরু হলো, যা তদন্তে নতুন দিক উন্মোচন করতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।

