আগরতলা, ২৬ সেপ্টেম্বর: ন্যাশনাল মেডিকেল কাউন্সিল বা এনএমসি ও ডব্লিউএইচও বা বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার গাইডলাইন মেনে রোগী ও চিকিৎসক এর মধ্যে যে অনুপাত থাকা দরকার তা যতটুকু কমানো যায় তার চেষ্টা করা হচ্ছে। আগামী দিনে আরও চিকিৎসক নিয়োগ করা হবে। আজ প্রজ্ঞা ভবনে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে নতুন চিকিৎসক ও স্কুল লাইব্রেরিয়ান চাকরিপ্রাপ্তদের মধ্যে নিয়োগপত্র বিতরণ অনুষ্ঠানে একথা বলেন মুখ্যমন্ত্রী প্রফেসর ডঃ মানিক সাহা।
মুখ্যমন্ত্রী আরও বলেন, রাজ্য সরকার স্বচ্ছতার মাধ্যমে এখন পর্যন্ত ডাইহারনেস সহ ২০৩৬ জনকে সরকারি চাকরি প্রদান করেছে। এছাড়া বিভিন্নভাবে কর্মসংস্থানের মধ্য দিয়ে বেকার যুবক যুবতীদের কিভাবে আত্মনির্ভর করা করা যায় সেই লক্ষ্য সরকার কাজ করছে। ত্রিপুরা যে ঠিক ঠিকভাবে চলছে তা প্যারামিটার দেখলে বোঝা যায়। যেমন জিএসডিপি ,পার ক্যাপিটাল ইনকামএর ক্ষেত্রে উত্তর-পূর্বাঞ্চলের মধ্যে ত্রিপুরা সেকেন্ড রানার আপ।
চিকিৎসকদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, কাজের মধ্য দিয়ে মানুষের জন্য ত্যাগ স্বীকার করা, ভালো ব্যবহার করা, যাতে সমাজের মধ্যে নিজেকে বিশিষ্ট ব্যক্তি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে পারেন সেই দিকে লক্ষ্য রেখে আগামী দিনে পথ চলা। তাতে নিজেদের যেমন আনন্দ বোধ করবেন ঠিক তেমনি অভিভাবকরাও আরো বেশি সন্তানের জন্য গর্ববোধ করবেন। মুখ্যমন্ত্রী আরও বলেন, প্রযুক্তিকে কাজে লাগিয়ে নিজেকে আরো বেশি দক্ষতা বৃদ্ধি ও আপগ্রেড করতে হবে। প্রধানমন্ত্রী সেইদিকেই সবচেয়ে বেশি জোর দিয়েছেন। অনুষ্ঠানে ২১৪ জন নতুন চিকিৎসক এবং ১২ জন লাইব্রেরিয়ান এর হাতে নিয়োগপত্র তুলে দেন মুখ্যমন্ত্রী। অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন স্বাস্থ্য সচিব কিরন গীতে, স্বাস্থ্য অধিকর্তা প্রফেসর ডঃ তপন মজুমদার সহ অন্যান্যারা।



















