কলকাতা, ৯ সেপ্টেম্বর (হি স)। আগামী বুধবার ইডি দফতরে ডেকে পাঠানো হয়েছে অভিনেত্রী নুসরত জাহানের সংস্থার ‘স্লিপিং ডিরেক্টর’ আর এক অভিনেত্রী রূপলেখা মিত্রকে। রূপলেখার কাছে দেখতে চাওয়া হয়েছে ২০১৩-’১৪ সালের সব নথিপত্র। তার আগের দিন ফ্ল্যাট প্রতারণা মামলায় আগামী মঙ্গলবার সিজিও কমপ্লেক্সে সাংসদ-অভিনেত্রী নুসরত জাহানকে তলব করেছে ইডি। সমন পিছোনো আর্জি জানিয়ে সিবিআইরের কাছে আর্জি জানিয়েছেন রূপলেখা। বিষয়টি নিয়ে সোমবার বৈঠকে বসবেন স্থানীয় ইডি কর্তারা।
রূপলেখা জানান, সংস্থার ব্যালান্স শিট এবং মৌ চুক্তি দেখানোর কথা বলা হয়েছে তাঁকে। তবে অভিনেত্রীর বক্তব্য, তাঁর কাছে ব্যাঙ্ক স্টেটমেন্ট থাকলেও এই সময়ের মধ্যে ১০ বছর আগের সব নথি জোগাড় করা মুশকিল।
ইডির কাছে হাজিরা যে দিতে হবে, গত বুধবারই সে কথা জানতে পেরেছেন রূপলেখা। তাঁর বক্তব্য, এত কম সময়ে সব জোগাড় করা সম্ভব নয়। তাই ইডির কাছে সময় চেয়ে আবেদন করেছেন। শুক্রবার চিঠি দিয়ে তিনি জানিয়েছেন, আগামী বুধবার সিজিও কমপ্লেক্সে হাজিরা দেওয়া তাঁর পক্ষে সম্ভব হবে না। নথি জোগাড় করার জন্য আর একটু সময় চাই।
শনিবার রূপলেখা বলেন, “আমি স্পিডপোস্টে চিঠি পাঠিয়েছি। মেলও করেছি ইডির দফতরে। আমার পক্ষে এত কম দিনের মধ্যে সব কিছু জোগাড় করে হাজিরা দেওয়া সম্ভব নয়। এ ছাড়াও আমি ওঁদের সরাসরি চ্যালেঞ্জ করতে চাই। ওই সংস্থার কোনও নথিতে আমার সই দেখাতে পারবেন না তাঁরা। আইনি সব রকম ব্যবস্থা নিচ্ছি। এই মুহূর্তে খুবই মানসিক চাপের মধ্যে রয়েছি। মা-বাবার বয়স হয়েছে। তাই নিজের মতো করে সবটা সামলানোর চেষ্টা করছি।”
ইডির বক্তব্য, সময় চেয়ে সবিনয়ে রূপলেখা আবেদন করলে তা বিবেচনা করা যেতেই পারে। কিন্তু আগের নথি যোগাড় করার দায়িত্ব অভিযুক্তর। কিভাবে তিনি তা যোগাড় করবেন, সেটা তাঁকেই ঠিক করতে হবে। আর তিনি যদি সরাসরি চ্যালেঞ্জ করেন, আমাদে কাছে যে নথিপত্র আছে, তার ভিত্তিতে আমরা অনেকটা এগোতে পারি। সোমবার আমরা এ নিয়ে বিভাগীয় কথা বলে নেব।
মঙ্গলবার এই মামলায় সিজিও কমপ্লেক্সে হাজিরা দেওয়ার কথা অভিনেত্রী নুসরত এবং ওই সংস্থার আর এক ডিরেক্টর রাকেশ সিংহের। ইডির তলবে হাজিরা দেওয়ার বিষয়ে নুসরতের তরফে কোনও প্রতিক্রিয়া মেলেনি। তবে ইডির ডাকের কথা প্রকাশ্যে আসার পর বসিরাহাটের হিঙ্গলগঞ্জে দাঁড়িয়ে সাংসদ-অভিনেত্রী জানিয়েছিলেন, এই জিজ্ঞাসাবাদে পূর্ণ সহযোগিতা করবেন তিনি।



















