পাটনা, ৫ মে (হি.স.): বিহারকে এখনও দেশের পিছিয়ে পড়া রাজ্যগুলির মধ্যে একটি মনে করা হয়। দেশের মধ্যে শীর্ষস্থানীয় রাজ্যের তালিকায় আসতে হলে বিহারের প্রয়োজন নতুন চিন্তা ও নতুন প্রচেষ্টার। বললেন ভটকুশলী প্রশান্ত কিশোর। বৃহস্পতিবার পাটনায় সাংবাদিক সম্মেলন করেন প্রশান্ত কিশোর। সাংবাদিক সম্মেলনে তিনি বলেছেন, “লালু ও নীতীশ শাসনের ৩০ বছর পরও বিহার এখনও দেশের সবচেয়ে পশ্চাৎপদ ও দরিদ্র রাজ্য। উন্নয়নের অনেক মাপকাঠিতে বিহার এখনও দেশের সর্বনিম্ন স্তরে রয়েছে। বিহার যদি ভবিষ্যতে শীর্ষস্থানীয় রাজ্যের তালিকায় আসতে চায়, তাহলে প্রয়োজন নতুন চিন্তা ও নতুন প্রচেষ্টার।”
টুইটে ‘জন সূরয’-এর কথা বলেছিলেন প্রশান্ত কিশোর। যার ব্যাখ্যা দিয়ে তিনি বলেছিলেন, ‘জনতার জন্য সুশাসন।’ বৃহস্পতিবার সাংবাদিক বৈঠকে জানালেন ‘জন সূরয’ একটি ভাবনা। কোনও রাজনৈতিক দল নয়। ‘জন সূরয’ বিহারের মানুষের উন্নতির কথা বলবে। বিহারের মানুষের অধিকারের কথা বলবে। বিহারকে দেশের প্রথম দশ রাজ্যের মধ্যে নিয়ে আসার কথা ভাববে। সেই লক্ষ্যে কাজ করবে। ভোটের রাজনীতি করতে চাই না বলেও জানিয়েছেন প্রশান্ত কিশোর। তাঁর কথায়, ‘‘ভোট আমার লক্ষ্য নয়। লোকসভা ভোটকে সামনে রেখে পদযাত্রা শুরু করছি না আমি।’’ আরও বলেছেন, ‘‘ভোটে জিততে হলে তার কৌশল আমার জানা আছে, সেটা করতে হলে আমি মানুষের সঙ্গে কথা বলার প্রয়াস করতাম না। ভোটে জেতার জন্য যা করা দরকার সেটুকুই করতাম।’’
এদিন প্রশান্ত কিশোর আরও জানিয়েছেন, “আমি আজ কোনও রাজনৈতিক দলের ঘোষণা করব না। আমার নিজস্ব রাজনৈতিক দল বলে কিছু হবে না। মানুষ যদি আমার লক্ষ্যের সঙ্গে একমত হয়, তাঁরা যদি মনে করেন তবে রাজনৈতিক সংগঠন হবে, তবে হবে। আশা করছি, আগস্ট কিংবা সেপ্টেম্বরের মধ্যেই তা বুঝে ফেলা যাবে।” প্রশান্ত কিশোর আরও বলেছেন, বিহার জুড়ে তিন হাজার কিলোমিটার পথ পায়ে হেঁটে ঘুরবেন তিনি। প্রশান্ত কিশোরের কথায়, “আগামী তিন-চার মাসে ১৭ থেকে ১৮ হাজার মানুষের সঙ্গে কথা বলা হবে সেই পদযাত্রায়। তাঁরা যদি মনে করেন, তবেই রাজনৈতিক দল তৈরি হবে। তবে সেই দল যদি তৈরিও হয় তবে তাঁর সর্বেসর্বা আমি হব না।’’



















