News Flash

  • Home
  • উত্তর-পূর্বাঞ্চল
  • আন্তঃরাজ্য সীমান্ত এলাকা থেকে আসাম পুলিশের ক্যাম্প সরানোর চেষ্টা করছে মিজোরাম, জানান গৃহমন্ত্রী লালচামলিয়ানা
Image

আন্তঃরাজ্য সীমান্ত এলাকা থেকে আসাম পুলিশের ক্যাম্প সরানোর চেষ্টা করছে মিজোরাম, জানান গৃহমন্ত্রী লালচামলিয়ানা

আইজল, ৮ মার্চ (হি.স.) : মিজোরামের আন্তঃরাজ্য সীমান্ত এলাকা থেকে আসাম পুলিশের ক্যাম্প সরানোর চেষ্টা করছে রাজ্য সরকার, জানান গৃহমন্ত্রী লালচামলিয়ানা।

এক সাক্ষাৎকারে গৃহমন্ত্রী লালচামলিয়ানা জানান, আন্তঃরাজ্য সীমান্ত বিবাদের জেরে গত বছরের জুন মাসে মিজোরামের আইতলাং, বুয়ারচেপ এবং সাইহাপুই ‘ভি’ এলাকায় আসাম পুলিশ ক্যাম্প স্থাপন করেছে। ওই সব ক্যাম্প সরানোর জন্য প্রচেষ্টা চালাচ্ছে মিজোরাম সরকার। তিনি জানান, অসমের কাছাড়, করিমগঞ্জ এবং হাইলাকান্দি জেলার সঙ্গে মিজোরামের ১৬৪.৬ কিলোমিটার দীর্ঘ আন্তঃরাজ্য সীমানা রয়েছে।

বিরোধী কংগ্রেস নেতা লালরিন্দিকা রাল্টের এক বক্তব্যের জবাব দিতে গিয়ে লালচামলিয়ানা বলেন, মিজোরাম সরকার অসমের হাইলাকান্দি এবং কাছাড় জেলা-ঘেঁষা বুয়ারচেপ এবং সাইহাপুই ‘ভি’-র সীমান্তবর্তী এলাকা আইতলাং থেকে আসাম পুলিশের ক্যাম্প প্রত্যাহার করার প্রক্রিয়া শুরু করেছে। তিনি বলেন, রাজ্য সরকার অসমের সাথে রাজ্যের সীমান্ত পাহারা দিতে মিজোরাম পুলিশকে আরও শক্তিশালী করতে উপযুক্ত পদক্ষেপ নিচ্ছে। তাই ওই সব এলাকায় আসাম পুলিশের নজরদারির আর প্রয়োজন হবে না।

এক জিজ্ঞাসার উত্তরে গৃহমন্ত্রী লালচামলিয়ানা বলেন, প্রতিবেশী উভয় রাজ্যের আইনসভা সীমানা বিবাদ সম্পর্কে একে অপরকে দোষারোপ করছে, তা-ও অসম এবং মিজোরাম সরকার আলোচনার মাধ্যমে সমাধান করতে চাইছে। তিনি বলেন, ১৯৮৭ সালের ২০ আগস্ট নির্ধারিত আন্তঃরাজ্য ইনার লাইনে কাছাড়ের দক্ষিণ সীমান্তবর্তী অবস্থানগুলি স্বীকার করেছে মিজোরাম সরকার।

গৃহমন্ত্রী লালচামলিয়ানার অভিযোগ, ইনার লাইনের অধীনে বিশাল পরিমাণ এলাকা বর্তমানে অসমের দখলে রয়েছে বা অসমের অধীনে চলে গেছে। রাজ্য বিধানসভাকেও নাকি তিনি জানিয়েছিলেন, তাঁরা এখনও মিজোরামের কোনও অঞ্চল হারাননি। তবে যতটুকু অসমে দখলে গেছে, সেগুলি ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করছে রাজ্য সরকার। মিজোরামের প্রকৃত ভূখণ্ড, যা বর্তমানে অসমের অধীনে, তা হয়ত পরিমাপ এবং প্রকাশ করা সম্ভব নয়। বলেন, ১৮৭৫ সালে জারিকৃত নোটিশ অনুযায়ী সীমানাকে মেনে নিতে রাজ্য সরকার এবং মিজো নাগরিকরা দৃঢ়-প্রতিজ্ঞ। তবে এটা ঠিক, মিজোরাম হারানো সীমান্তবর্তী ভূখণ্ড দখলে আনবে।

প্রসঙ্গক্রমে গৃহমন্ত্রী বলেন, যদিও উভয় রাজ্য সরকার জেলা প্রশাসন থেকে মুখ্যমন্ত্রী স্তর পর্যন্ত আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে দীর্ঘদিনের সীমান্ত বিরোধের সমাধান করার চেষ্টা করছে, এখন পর্যন্ত কোনও উল্লেখযোগ্য ফলাফল সাধিত হয়নি। তিনি বলেন, মিজোরামের মুখ্যমন্ত্রী জোরামথাঙ্গা এবং অসমের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্তবিশ্ব শর্মা গত বছরের নভেম্বরে দিল্লিতে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের উপস্থিতিতে সীমান্ত সমস্যা নিয়ে বৈঠক করেছিলেন। ওই বৈঠকে আলোচনার মাধ্যমে সীমান্ত বিরোধ নিষ্পত্তির জন্য সকল স্টেকহোল্ডার সহ তাঁদের নিজস্ব প্যানেল তৈরি করতে সম্মত হয়েছেন দুই রাজ্যের প্রধান। এর পর অবশ্য উভয় নেতা সময় সময় মুখ্যমন্ত্রী স্তরে আলোচনা করছেন, বলেন মিজোরামের গৃহমন্ত্রী লালচামলিয়ানা।

Releated Posts

ত্রিপুরা-অসমের মধ্যে শীঘ্রই চালু হতে পারে বৈদ্যুতিক ট্রেন পরিষেবা, তৎপর উত্তর-পূর্ব সীমান্ত রেল

আগরতলা/গুয়াহাটি, ১৬ জুন (আইএএনএস): ত্রিপুরা ও অসমের মধ্যে দ্রুত বৈদ্যুতিক ট্রেন পরিষেবা চালু করতে উদ্যোগ জোরদার করেছে উত্তর-পূর্ব…

ByByNews Desk Jun 16, 2026

২২ জুন থেকে শুরু অম্বুবাচী মেলা, ২৬ জুন খুলবে কামাখ্যা মন্দিরের দ্বার

গুয়াহাটি, ১৬ জুন (আইএএনএস): পূর্ব ভারতের অন্যতম বৃহৎ ও গুরুত্বপূর্ণ ধর্মীয় সমাবেশ অম্বুবাচী মেলা উপলক্ষে জোরকদমে প্রস্তুতি চলছে কামাখ্যা মন্দির-এ।…

ByByNews Desk Jun 16, 2026

উত্তর-পূর্বে তফসিলি জনজাতির আয়কর ছাড়ের বিরুদ্ধে মামলা শুনতে নারাজ সুপ্রিম কোর্ট

নয়াদিল্লি, ১৬ জুন (আইএএনএস): উত্তর-পূর্ব ভারতের তফসিলি জনজাতি (এসটি) সম্প্রদায়ের জন্য আয়কর ছাড়ের সাংবিধানিক বৈধতাকে চ্যালেঞ্জ করে দায়ের…

ByByNews Desk Jun 16, 2026

শিলংয়ে উত্তর-পূর্ব অবকাঠামো সম্মেলনের উদ্বোধন করলেন নীতিন গড়করি

শিলং, ১৫ জুন: কেন্দ্রীয় সড়ক পরিবহণ ও মহাসড়ক মন্ত্রী নিতিন গাডকারি সোমবার মেঘালয়ের শিলং-এ উত্তর-পূর্ব ভারত অবকাঠামো সম্মেলন…

ByByNews Desk Jun 15, 2026
Scroll to Top