তেলিয়ামুড়া, ১৩ ডিসেম্বর : অকাল বর্ষণে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের পর্যাপ্ত পরিমাণে ক্ষতিপূরণ দেওয়ার জন্য জোরালো দাবি জানিয়েছেন কৃষকরা। ইতিমধ্যেই বরুণ দেবতা মুখ তুলে তাকানো হয় তার কেটে ঘরে তোলার চেষ্টা শুরু করেছেন কৃষকরা।বিগত কয়েকদিন পূর্বে টানা বৃষ্টিতে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের বর্তমানে অশ্রুতে জল, কপালে চিন্তার ভাঁজ, কি করবে তারা বুঝে উঠতে পারছে না।
তেলিয়ামুড়া, ১৩ ডিসেম্বর : অকাল বর্ষণে ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হওয়ায় প্রয়োজনীয় ক্ষতিপূরণের জোরালো দাবি জানিয়েছেন কৃষকরা। অবশ্য, বৃষ্টি থামতেই এখন আবহাওয়া ফসল কাটার অনুকূলে রয়েছে। তাই, কৃষকরা দ্রুত ফসল ঘরে তোলার চেষ্টায় রয়েছেন।
গত শ্রাবণ মাসে কৃষকরা রঞ্জিত ধানের চাষ করেছিলেন বুক ভরা আশা নিয়ে। প্রত্যাশা ছিল ভাল ফলন হবে। কিন্তু প্রকৃতির রুদ্ররোষে কৃষকরা বর্তমানে ক্ষতিগ্রস্তের শিকার। ধানের কৃষিজমি জলের টইটুম্বুর। এমন বাস্তব চিত্র তেলিয়ামুড়া আরডি ব্লকের তৃষা বাড়ি এলাকায়। বিশেষ করে বৃষ্টির দিন গুলিতে কৃষি জমিতে জল জমে থাকে। কারণ রেল লাইনের জন্য জল নিকাশি ব্যবস্থা গড়ে উঠেনি।
এদিকে অগ্রহায়ণ মাসে কৃষকদের সেই পাকা রঞ্জিত দান কেটে ঘরে তোলার সময়কালে বরুণ দেবতার রুদ্ররোষে অকাল বর্ষণের ফলে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকরা বর্তমানের দিশেহারা। যদিও রাজ্য প্রশাসন থেকে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের কৃষি তত্ত্বাবধায়ক অফিসের মাধ্যমে সাহায্য সহায়তা দেওয়ার জন্য নির্দেশিকা জারি করেছে। কিন্তু গ্রামীণ এলাকার বহু কৃষক সরকারি সাহায্যের কথা জানেন না।
সোমবার তৃষা বাড়িতে গিয়ে প্রত্যক্ষ করা গেল জলে টইটুম্বুর হয়ে থাকা কৃষি জমিতে কৃষকরা ধান কাটার কাজে ব্যস্ত। অন্যদিকে সোনালী রোদে ধান শুকানোরও পালা চলছে। যাতে ক্ষতির পরিমাণ কিছুটা লাঘব হয়। সেই চেষ্টাটাই করছেন ক্ষতিগ্রস্ত স্থানীয় কৃষকরা। জনৈক কৃষক জানান, শ্রাবণ মাসে রঞ্জিত ধান রুপন করা হয়েছিল। আর সেই রঞ্জিত ধান শুখা মরশুমের শুরুতেই পাকা ধান কেটে ঘরে তোলার পালা। কিন্তু অকাল বৃষ্টিতে কৃষকদের সমস্ত আশা ভেঙে চুরমার হয়ে গেছে।
অকাল বর্ষণে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের পর্যাপ্ত পরিমাণে ক্ষতিপূরণ দেওয়ার জন্য জোরালো দাবি উঠেছে। কৃষকরা জানিয়েছেন তাদের অনেকেই ঋণ নিয়ে জমিতে ফসল লাগিয়েছেন। প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় পর্যাপ্ত ক্ষতিপূরণ না মিললে পরিবার প্রতিপালন করা কষ্টকর হয়ে উঠবে।
2021-12-13

