সহারানপুর, ২২ সেপ্টেম্বর (আইএএনএস): লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধীকে নাম না করে নিশানা করে বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি নীতিন নবীন মঙ্গলবার বলেন, দলের কর্মীরা ‘পার্ট-টাইম রাজনীতিবিদ’ নন, তাঁরা দিন-রাত সংগঠনের জন্য কাজ করেন।
উত্তরপ্রদেশের সহারানপুরে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় নীতিন নবীন বলেন, “একজন ভারতীয় জনতা পার্টির কর্মী ২৪ ঘণ্টা কাজ করেন। আমাদের কর্মীরা পার্ট-টাইম রাজনীতিবিদ নন।” উত্তরপ্রদেশে ফের বিজেপি সরকার গঠনের লক্ষ্যে দলের কর্মীদের মধ্যে যে উৎসাহ ও দৃঢ় সংকল্প দেখা যাচ্ছে, তাতেও তিনি সন্তোষ প্রকাশ করেন।
নীতিন নবীন ২০২৭ সালের উত্তরপ্রদেশ বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপির ক্ষমতায় ফেরার বিষয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করেন। তিনি বলেন, পশ্চিম উত্তরপ্রদেশ সফর করে দলের কর্মীদের সঙ্গে কথা বলা এবং প্রবীণ নেতাদের সঙ্গে আলোচনার পর তিনি ২০২৭ সালের লক্ষ্য পূরণ নিয়ে আত্মবিশ্বাসী।
তিনি আরও বলেন, মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথের গত কয়েক বছরের কার্যকাল কিংবা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির গত ১২ বছরের কার্যকালের দিকে তাকালে উন্নয়ন ও বিদেশনীতি নিয়ে সরকারের দৃষ্টিভঙ্গির প্রতি মানুষের আস্থা রয়েছে বলে বিজেপি মনে করে। তাঁর দাবি, মানুষ বিশ্বাস করেন, এই সরকার ভারতকে একটি উন্নত দেশে পরিণত করবে এবং উত্তরপ্রদেশকে ‘উত্তম প্রদেশে’ রূপান্তর করবে।
কয়েক দিন আগে তামিলনাড়ুর বিজেপি সভাপতি নাইনর নাগেন্দ্রনও রাহুল গান্ধীকে ‘পার্ট-টাইম রাজনীতিবিদ’ বলে কটাক্ষ করেছিলেন। ইন্দোরে রাহুল গান্ধীর ‘ছাত্রোঁ কি গুঞ্জ’ অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির কথিত অনুকরণের অভিযোগকে কেন্দ্র করেই তিনি এই মন্তব্য করেছিলেন।
নীতিন নবীন সোমবার থেকে দু’দিনের উত্তরপ্রদেশ সফরে রয়েছেন। সফরের প্রথম দিন মেরঠের কার্গিল শহিদ স্মারক পার্কে গিয়ে তিনি শহিদ সেনাদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান এবং তাঁদের স্মৃতিতে একটি গাছ রোপণ করেন।
এক্স-এ এক বার্তায় তিনি বলেন, দেশের প্রতিরক্ষার জন্য সর্বোচ্চ আত্মত্যাগ করা সাহসী সেনাদের প্রতি তিনি পুষ্পার্ঘ্য নিবেদন করে শ্রদ্ধা জানিয়েছেন। দেশের সীমান্ত রক্ষায় সেনাদের সাহস, কর্তব্যনিষ্ঠা ও আত্মত্যাগ প্রতিটি ভারতীয়র কাছে চিরকাল অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে থাকবে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
নীতিন নবীনের উত্তরপ্রদেশ সফরে বুথ, ‘শক্তি কেন্দ্র’, মণ্ডল এবং জেলা স্তরে দলের সাংগঠনিক প্রস্তুতি পর্যালোচনা এবং দলীয় কর্মীদের সঙ্গে সরাসরি মতবিনিমারের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
—আইএএনএস



















