গুয়াহাটি, ২২ সেপ্টেম্বর (আইএএনএস): সড়ক দুর্ঘটনার পর সময়মতো সহায়তা জীবন বাঁচাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে বলে মন্তব্য করেছেন অসমের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মা। তিনি বলেন, দুর্ঘটনায় আক্রান্তদের দ্রুত সহায়তা দেওয়ার লক্ষ্যে পিএম-রাহাত এবং সাধারণ মানুষকে দুর্ঘটনাগ্রস্তদের সাহায্যে এগিয়ে আসতে উৎসাহিত করা রাহ-বীর-এর মতো উদ্যোগ অসমের সড়কে দুর্ঘটনার পর প্রথম প্রতিক্রিয়া ব্যবস্থা আরও শক্তিশালী করবে।
সোশ্যাল মিডিয়ায় এক পোস্টে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “একটি সড়ক দুর্ঘটনা কয়েক সেকেন্ডের মধ্যে একটি জীবন বদলে দিতে পারে। সময়মতো সাহায্যই বড় পার্থক্য গড়ে দিতে পারে।”
হিমন্ত বিশ্ব শর্মা বলেন, দুর্ঘটনায় আক্রান্তদের দ্রুত সহায়তা দেওয়ার ক্ষেত্রে পিএম-রাহাত এবং নাগরিকদের দুর্ঘটনাগ্রস্তদের সাহায্যে এগিয়ে আসতে উৎসাহিত করার ক্ষেত্রে রাহ-বীর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। তাঁর কথায়, “পিএম-রাহাত দ্রুত সহায়তা নিশ্চিত করছে এবং রাহ-বীর নাগরিকদের এগিয়ে আসতে উৎসাহিত করছে। এর মাধ্যমে দুর্ঘটনার পর প্রথম প্রতিক্রিয়া ব্যবস্থা আরও শক্তিশালী হচ্ছে।”
মুখ্যমন্ত্রী বলেন, সড়ক নিরাপত্তা শুধু দুর্ঘটনা প্রতিরোধের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। দুর্ঘটনার পর আহতদের কাছে কত দ্রুত সাহায্য পৌঁছাচ্ছে, সেটিও সমান গুরুত্বপূর্ণ। “কোনও জীবন যখন ঝুঁকির মধ্যে থাকে, তখন আমরা কত দ্রুত পদক্ষেপ নিই, নিরাপদ অসম তার ওপরও নির্ভর করে,” বলেন তিনি।
সড়ক দুর্ঘটনায় মৃত্যুর সংখ্যা কমানো এবং দুর্ঘটনার পর গুরুত্বপূর্ণ প্রাথমিক সময়ে দ্রুত সহায়তা পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যে সরকার ও সড়ক নিরাপত্তা সংস্থাগুলি ধারাবাহিকভাবে বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করে চলেছে। বৃহত্তর সড়ক নিরাপত্তা ব্যবস্থার আওতায় গুরুতর আঘাতপ্রাপ্ত দুর্ঘটনাগ্রস্তদের ক্ষেত্রে দ্রুত চিকিৎসা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে বিবেচিত হয়।
রাহ-বীর উদ্যোগের লক্ষ্য হল সাধারণ মানুষকে সড়ক দুর্ঘটনায় আহতদের সাহায্যে এগিয়ে আসতে উৎসাহিত করা এবং তাঁদের দ্রুত চিকিৎসা পরিষেবার আওতায় নিয়ে আসা। দুর্ঘটনা ঘটার পর পেশাদার জরুরি পরিষেবা পৌঁছানো পর্যন্ত প্রাথমিক সহায়তার ব্যবস্থাকেও এর মাধ্যমে আরও শক্তিশালী করার লক্ষ্য রয়েছে।
অন্যদিকে, পিএম-রাহাত-এর মাধ্যমে জরুরি চিকিৎসার প্রয়োজন হওয়া দুর্ঘটনাগ্রস্তদের দ্রুত আর্থিক সহায়তা দেওয়ার লক্ষ্য রয়েছে, যাতে চিকিৎসা পরিষেবা পেতে দেরি না হয়।
হিমন্ত বিশ্ব শর্মার বক্তব্যে অসমে সড়ক নিরাপত্তা ও জরুরি পরিষেবা ব্যবস্থাকে আরও কার্যকর করার ক্ষেত্রে সরকারি সহায়তার পাশাপাশি সাধারণ মানুষের অংশগ্রহণের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। দুর্ঘটনার পরপরই নাগরিকদের সময়মতো হস্তক্ষেপের গুরুত্বও তাঁর বক্তব্যে উঠে এসেছে।



















