আগরতলা, ৩ সেপ্টেম্বর: উত্তর ত্রিপুরা ও ধলাই জেলার বিভিন্ন বনাঞ্চল থেকে মূল্যবান গাছ কেটে অবৈধভাবে কাঠ পাচারের অভিযোগ ক্রমেই জোরালো হচ্ছে। এরই মধ্যে বনদপ্তরের অভিযানে কুমারঘাট মহকুমার মাছমারা রেঞ্জের অন্তর্গত রামদুলা পাড়া এলাকা থেকে প্রায় ২০ ফুট অবৈধ সেগুন কাঠ উদ্ধার হয়েছে।
জানা গেছে, বনদপ্তরের অধীন পেচারতল এপিও ইউনিটের কর্মীরা অভিযান চালিয়ে এই কাঠ উদ্ধার করেন। তবে অভিযানের সময় কাঠ পাচারের সঙ্গে জড়িত কাউকে আটক করা হয়েছে কি না, সে বিষয়ে বিস্তারিত জানা যায়নি।
স্থানীয় সূত্রের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরেই রাতের অন্ধকারে বিভিন্ন রাস্তা ব্যবহার করে বনাঞ্চল থেকে মূল্যবান গাছ কেটে অন্যত্র পাচার করা হচ্ছে। এই ধরনের অবৈধভাবে গাছ কাটা ও কাঠ পাচারের ফলে উত্তর ত্রিপুরা ও ধলাই জেলার বিস্তীর্ণ বনাঞ্চলের পরিবেশ ও বনসম্পদ ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
স্থানীয়দের দাবি, একটি সংঘবদ্ধ চক্র পরিকল্পিতভাবে বনাঞ্চল থেকে মূল্যবান গাছ কেটে পাচারের সঙ্গে যুক্ত রয়েছে। রামদুলা পাড়া এলাকা থেকে প্রায় ২০ ফুট সেগুন কাঠ উদ্ধারের ঘটনায় সেই অভিযোগ ফের সামনে এসেছে।
বনসম্পদ রক্ষায় কাঠ পাচারকারীদের বিরুদ্ধে আরও কঠোর ও নিয়মিত অভিযান চালানোর দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় সচেতন নাগরিকরা। তাদের বক্তব্য, শুধু অবৈধ কাঠ উদ্ধার করলেই হবে না; এর সঙ্গে জড়িত মূল পাচারচক্র, কাঠ কাটার সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তি এবং তাদের সহযোগীদের চিহ্নিত করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা জরুরি।
স্থানীয়দের আশা, বনদপ্তরের পক্ষ থেকে অভিযান আরও জোরদার করা হলে অবৈধভাবে গাছ কাটা ও কাঠ পাচারে লাগাম টানা সম্ভব হবে এবং সংরক্ষিত বনসম্পদ রক্ষা করা যাবে।



















