আগরতলা, ৩০ আগস্ট: কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও মহিলা ক্ষমতায়নের মাধ্যমে স্বনির্ভর ও উন্নত ত্রিপুরা গড়ার লক্ষ্যে রাজ্য সরকার নিরন্তর কাজ করে চলেছে। কর্মসংস্থান, দক্ষতা উন্নয়ন, মহিলা ক্ষমতায়ন এবং সাধারণ মানুষের কাছে দ্রুত ও কার্যকর পরিষেবা পৌঁছে দেওয়াই সরকারের অন্যতম লক্ষ্য। রবিবার আগরতলার মুক্তধারা প্রেক্ষাগৃহে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে একথা বলেন মুখ্যমন্ত্রী প্রফেসর ডাঃ মানিক সাহা। এদিন অগ্নিনির্বাপক দপ্তরে ড্রাইভার পদে নবনিযুক্ত ১৬ জনের হাতে অফার লেটার তুলে দেন মুখ্যমন্ত্রী।
নবনিযুক্তদের অভিনন্দন জানিয়ে তিনি বলেন, সরকারি চাকরিতে যোগদান শুধুমাত্র কর্মসংস্থানের সুযোগ নয়, এটি সততা, নিষ্ঠা ও অধ্যবসায়ের সঙ্গে জনগণের সেবায় নিজেকে নিয়োজিত করার এক মহান দায়িত্ব। নতুন কর্মজীবনের জন্য তাঁদের শুভকামনাও জানান তিনি।
অনুষ্ঠানে মহিলা স্বনির্ভরতা ও আর্থিক ক্ষমতায়নের ক্ষেত্রেও উদ্যোগ নেওয়া হয়। আগরতলা পুর নিগম এলাকার প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত ১৮০ জন মহিলা সুবিধাভোগীর হাতে সেলাই মেশিন তুলে দেন মুখ্যমন্ত্রী। পাশাপাশি তাঁদের প্রত্যেককে ২ হাজার টাকা করে স্টাইপেন্ড প্রদান করা হয়।
মুখ্যমন্ত্রী বলেন, নারীদের স্বনির্ভর ও আর্থিকভাবে ক্ষমতায়নের লক্ষ্যে এই উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। প্রশিক্ষণের মাধ্যমে অর্জিত দক্ষতাকে কাজে লাগিয়ে মহিলারা নিজেরাই আয়ের সুযোগ তৈরি করতে পারবেন। এর ফলে তাঁদের আর্থ-সামাজিক অবস্থার উন্নতিও সম্ভব হবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।
এদিনের অনুষ্ঠান থেকে ভার্চুয়াল মাধ্যমে সাব্রুমের মনুবনকুলে নবনির্মিত ফায়ার স্টেশনের উদ্বোধন করেন মুখ্যমন্ত্রী। এটি রাজ্যের ৫২তম ফায়ার স্টেশন। নতুন ফায়ার স্টেশন চালু হওয়ায় সাব্রুম ও সংলগ্ন এলাকার মানুষের দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা পূরণ হবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি। অগ্নিকাণ্ডসহ বিভিন্ন জরুরি পরিস্থিতিতে দ্রুত পরিষেবা পৌঁছে দেওয়ার ক্ষেত্রে এই ফায়ার স্টেশন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেবে।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মন্ত্রী সান্ত্বনা চাকমা, আগরতলা পুর নিগমের মেয়র দীপক মজুমদার, সচিব কিরণ গিত্যে-সহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরের আধিকারিক ও বিশিষ্ট ব্যক্তিরা। এর আগে মুক্তধারা প্রেক্ষাগৃহে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ‘মন কি বাত’-এর অনুষ্ঠানও মুখ্যমন্ত্রীসহ উপস্থিত সকলে একসঙ্গে শ্রবণ করেন।



















