নিজস্ব প্রতিনিধি, আগরতলা, ২৪ জুলাই: ত্রিপুরার ঐতিহাসিক শৈব তীর্থ ঊনকোটির সংরক্ষণ, রক্ষণাবেক্ষণ এবং পর্যটন পরিকাঠামোর উন্নয়নে কেন্দ্র সরকার একাধিক গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। এই পদক্ষেপকে স্বাগত জানিয়ে কেন্দ্রীয় সংস্কৃতি ও পর্যটন মন্ত্রী গজেন্দ্র সিং শেখাওয়াতের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন পশ্চিম ত্রিপুরার সাংসদ বিপ্লব কুমার দেব।
সাংসদ জানান, ঊনকোটির ঐতিহাসিক ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য সংরক্ষণ, যথাযথ রক্ষণাবেক্ষণ এবং পর্যটন পরিকাঠামোর বিকাশের বিষয়টি তিনি সংসদে উত্থাপন করেছিলেন। সেই দাবিকে গুরুত্ব দিয়ে কেন্দ্রীয় সংস্কৃতি মন্ত্রক ঊনকোটির প্রাচীন ভাস্কর্য ও শৈলখোদিত শিল্পকর্ম সংরক্ষণের পাশাপাশি একটি আধুনিক ক্যাফেটেরিয়া নির্মাণের উদ্যোগ নিয়েছে।
এ প্রসঙ্গে কেন্দ্রীয় সংস্কৃতি ও পর্যটন মন্ত্রী গজেন্দ্র সিং শেখাওয়াত সাংসদ বিপ্লব দেবকে পাঠানো এক চিঠিতে জানান, বর্তমানে ত্রিপুরার কেন্দ্রীয়ভাবে সংরক্ষিত স্মারকগুলি ভারতীয় পুরাতত্ত্ব সর্বেক্ষণ (এএসআই)-এর আইজল সার্কেলের অধীনে রয়েছে। ঊনকোটিসহ রাজ্যের আটটি কেন্দ্রীয় সংরক্ষিত স্মারকের সংরক্ষণ, রক্ষণাবেক্ষণ ও উন্নয়নের কাজ উদয়পুর এবং কৈলাশহরের উপ-বিভাগীয় কার্যালয়ের মাধ্যমে পরিচালিত হচ্ছে।
চিঠিতে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, ঊনকোটিতে শৈলখোদিত ভাস্কর্যের সংরক্ষণ ও ক্যাফেটেরিয়া নির্মাণের কাজ ইতিমধ্যেই অগ্রগতির পর্যায়ে রয়েছে এবং তা দ্রুত সম্পন্ন হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে সীমিত প্রশাসনিক ও আর্থিক সংস্থানের কারণে আপাতত এএসআই-এর আঞ্চলিক কার্যালয় আইজল থেকে আগরতলায় স্থানান্তর করা সম্ভব নয় বলেও জানিয়েছে কেন্দ্রীয় মন্ত্রক।
কেন্দ্রের এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে সাংসদ বিপ্লব দেব বলেন, ঊনকোটির মতো বিশ্ববিখ্যাত প্রত্নতাত্ত্বিক ও ধর্মীয় ঐতিহ্যকে সংরক্ষণ এবং পর্যটন পরিকাঠামোর উন্নয়নের মাধ্যমে এই স্থান আন্তর্জাতিক পর্যটন মানচিত্রে আরও সুপ্রতিষ্ঠিত হবে। তিনি এই বিষয়ে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য কেন্দ্রীয় সংস্কৃতি ও পর্যটন মন্ত্রী গজেন্দ্র সিং শেখাওয়াতকে আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানান।























