আগরতলা, ৮ জুলাই: নাবালিকার শ্লীলতাহানির অভিযোগে দায়ের হওয়া একটি পকসো মামলায় অভিযুক্ত এক ব্যক্তিকে ২০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ডের নির্দেশ দিল আগরতলার অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা আদালত (কোর্ট নং-৩)। একইসঙ্গে অভিযুক্তকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরও তিন মাসের সশ্রম কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, দোষী সাব্যস্ত ব্যক্তির নাম গোপাল ঘোষ (৫৫)। তিনি আগরতলার এয়ারপোর্ট থানাধীন আনন্দনগর, হাতখোলা কলোনি, বৈশ্যপাড়া এলাকার বাসিন্দা।
ঘটনার সূত্রপাত ২০২৪ সালের ২৫ জানুয়ারি। অভিযোগ অনুযায়ী, ওইদিন দুপুর প্রায় সাড়ে ১২টা নাগাদ অভিযুক্ত গোপাল ঘোষ নাবালিকাকে নিজের বাড়িতে ডেকে নিয়ে যান। সেখানে দরজা বন্ধ করে অসৎ উদ্দেশ্যে জোরপূর্বক তার গোপনাঙ্গে স্পর্শ ও শ্লীলতাহানি করেন বলে অভিযোগ।
এই ঘটনায় এয়ারপোর্ট থানায় এয়ারপোর্ট থানার মামলা নং ০৭/২০২৪ রুজু হয়। মামলাটি পকসো আইনের ৪(২) ধারা এবং ভারতীয় দণ্ডবিধির ৩৭৬(১) ধারা-সহ প্রাসঙ্গিক ধারায় তদন্ত করা হয়। তদন্তভারপ্রাপ্ত এয়ারপোর্ট থানার তৎকালীন সাব-ইন্সপেক্টর রাহুল দাস (বর্তমানে নিউ ক্যাপিটাল কমপ্লেক্স থানায় কর্মরত) তদন্ত সম্পূর্ণ করে ২০২৪ সালের ২৯ ফেব্রুয়ারি আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন।
মামলার সাক্ষ্য-প্রমাণ ও তদন্তে সন্তুষ্ট হয়ে আগরতলার অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা বিচারক (কোর্ট নং-৩) অভিযুক্তকে দোষী সাব্যস্ত করেন। আদালত তাকে ২০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড এবং ৫০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে অতিরিক্ত তিন মাসের সশ্রম কারাদণ্ডের নির্দেশ দিয়েছে। ত্রিপুরা পুলিশ জানিয়েছে, নারী ও শিশুদের বিরুদ্ধে সংঘটিত অপরাধের ক্ষেত্রে দ্রুত তদন্ত ও আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে দোষীদের কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করতে তারা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।



















